লালমনিরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন করেছেন সাবেক শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (১৩ এপ্রিল) লালমনিরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন বিচারপতি ইকবাল কবির লিটন।
জাতীয় সংগীতের সঙ্গে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে শতবর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন ১৯৪৭ সালের এসএসসি ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী সামছুল হক ও ১৯৫২ সালের এসএসসি ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী আব্দুস সামাদ।
১০০ বছর পূর্তিতে ১০০টি বেলুন ও কবুতর উড়ানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও লালমনিরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মশিউর রহমান রাঙা, হাইকোর্টের বিচারপতি ইকবাল কবির লিটন ও পিএসসির সদস্য অধ্যাপক হামিদুল হক মন্টুসহ অনেকে।
শতবর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের গণমাধ্যম সমন্বয় করেন প্রথম আলোর লালমনিরহাট প্রতিনিধি আবদুর রব সুজন ও বাংলা ট্রিবিউনের জয়েন্ট নিউজ এডিটর তানজিমুল নয়ন।
পিএসসির সদস্য অধ্যাপক হামিদুল হক মন্টু সমাজের দুর্নীতি ও প্রশাসনে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় পরিবার থেকে আদর্শ নিয়ে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।
বিচারপতি ইকবাল কবির লিটন বলেন, ‘সমাজের উন্নয়ন, দেশের উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রত্যেককেরই এগিয়ে আসতে হবে। পরিবার থেকে শুরু করতে হবে এই আন্দোলন। একদিন সমাজ বদলে যাবে। দেশ সোনার বাংলায় সমৃদ্ধি অর্জন করবে।’
প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙা বলেন, ‘সুশিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি যেমন উন্নত হন, তেমনি দেশের কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দিতে শেখেন। এই ব্রত নিয়েই আমরা শিক্ষা গ্রহণ করে আজ দেশের এবং মানুষের কল্যাণে জীবন উৎসর্গ করতে পেরেছি। আগামীতে নতুন শিক্ষার্থীরা আধুনিক শিক্ষা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে নিজেকে তৈরি করে আমাদের গুচ্ছ গুচ্ছ স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করবে। সুখি-সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।’
এছাড়াও স্মৃতিচারণা করেন ১৯৫৮ সালের এসএসসি ব্যাচের মজিবর রহমান, ১৯৮০ সালের এসএসসি ব্যাচের কর্নেল নেয়ামুল ইসলাম ফাতেমী, ১৯৮১ সালের বঙ্কিম চন্দ্র রায়, ১৯৭৩ সালের মাহমুদুর রহমান, ১৯৬৬ সালের অধ্যাপক (অব.) আব্দুল মজিদ মণ্ডল, ১৯৮৩ সালের এসএসসি ব্যাচের সাবেক ছাত্র ও পাটগ্রাম সরকারি জসমুদ্দিন কাজী আব্দুল গণি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান, ১৯৬২ সালের কমলা রঞ্জন রায়, ১৯৬৩ সালের বাসারফ হোসাইন। স্মৃতিচারণ শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়।








