শুল্ক জটিলতার কারণে প্রায় এক ধরে বন্দরে আটকে থাকার পর অবশেষে ট্রাকগুলো থেকে বন্দরের ওয়্যার হাউসে চাল খালাস করে নিচ্ছেন বন্দরের আমদানিকারকরা। ভারতীয় ট্রাক চালকদের আন্দোলনের পর বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে বন্দরের ১নং ওয়্যার হাউজে চাল খালাস করা শুরু হয়। চাল খালাসের জন্য বিকেল থেকে বন্দরের ১নং ও ৩নং ওয়্যার হাউস পরিষ্কার করা হয়।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ হারুন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ৭ জুন বাজেট পেশের কারণে ৬ জুন বিকেল থেকে কাস্টমসের সার্ভার বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর ফলে বাজেটের আগে ২ ভাগ শুল্কে আমদানি করা প্রায় ৮ হাজার টন চাল আটকা পড়ে। যা নতুন আরোপিত ২৮ ভাগ শুল্কে বন্দর থেকে ছাড় করতে হবে। ২৮ ভাগ শুল্কে চাল ছাড় করালে তাদের অনেক লোকশান গুনতে হবে। এ কারণে বাজেটের আগে আমদানিকৃত চাল ২ ভাগ শুল্কে খালাসের জন্য কাস্টমস ও এনবিআরের কাছে আবেদন করা হয়। কিন্তু এক মাসেও তারা এর কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এ কারনে সম্প্রতি হাইকোর্টে রিট করা হয়েছি। সেই রিটে ১০ দিনের কারণ দর্শানো নোটিশ জারি করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে আদালতের মাধ্যমে একটা সুরাহা হবে। এদিকে দীর্ঘদিন ধরে বন্দরে ট্রাকগুলো আটকে থাকায় ট্রাক চালক ও সহকারীরা বিপাকের পড়েছেন। ফলে তারা আন্দোলনে নেমেছে। এ কারণে দুদিন ধরে বন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি বন্ধ ছিল। এ অবস্থায় বন্দর কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শেডের জায়গা খালি করে আটকে পড়া ট্রাকগুলো থেকে চাল খালাস করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সব ট্রাক থেকে চাল আনলোড করা হবে। এছাড়াও ড্রাইভারদের সঙ্গে আলোচনা করে আমদানি রফতানি চালুর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।








