‘ঈদের ছুটিতে সারাদেশের অফিস-আদালত বন্ধ থাকে। রাজধানী ঢাকাতেও বিদ্যুতের ব্যবহার অর্ধেকে নেমে আসে, তারপরও কেন লোডশেডিং হচ্ছে বুঝতে পারছিনা। অন্তত ঈদের দিন বিদ্যুতের লোডশেডিং না হলে ভালো হতো। কারণ সারা বছর লোডশেডিংয়ের কবলে পড়তে পড়তে আমরা অভ্যস্ত হয়ে গেছি। তারপরও আশা করেছিলাম, অন্তত ঈদের দিন লোডশেডিং হবে না। ’
বুধবার (২২ আগস্ট) রংপুর নগরীর নিউ ইঞ্জিনিয়ার পাড়ার বাসিন্দা পারভেজ আলমগীরের স্ত্রী রিয়ালা বাংলা ট্রিবিউনকে এসব কথা বলেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, পবিত্র ঈদুল আজহার দিনেও বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কবলে পড়তে হয়েছে রংপুর নগরীসহ পুরো জেলার মানুষকে। এতে অসহনীয় গরমে দুর্বিষহ দিন কাটাতে হচ্ছে নগরবাসীকে। ঈদের দিন সকাল ৬টায় নগরীর বেশিরভাগ স্থানে বিদ্যুতের লোডশেডিং শুরু হয়। চলে এক ঘণ্টাব্যাপী। এরপর সন্ধ্যা পর্যন্ত কখনও আধ ঘণ্টা কখনও এক ঘণ্টা ধরে লোডশেডিং চলে। তবে রংপুর নগরীর বাইরের অবস্থা আরও ভয়াবহ বিশেষ করে উপজেলা থেকে গ্রাম পর্যায়ে বিদ্যুতের লোডশেডিং চলে ঘণ্টায় ঘণ্টায়।
আরও পড়ুন: নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপনে সরকার সব রকমের ব্যবস্থা নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
স্টেশন এলাকার সালাম জানান, রংপুরে স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি গরম পড়েছে। বিদ্যুতের অব্যাহত লোডশেডিং চললেও ঈদের দিনেও লোডশেডিং দিতে হবে, আমরা কল্পনাও করতে পারি না।
অন্যদিকে মিঠাপুকুর ও বদরগঞ্জ উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সেখানে এক ঘণ্টা পর পর বিদ্যুতের লোডশেডিং চলছে।
সার্বিক বিষয়ে জানতে পিডিবির প্রধান প্রকৌশলী শাহাদত হোসেনের সঙ্গে বেশ কয়েকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন প্রকৌশলী জানান, রংপুর বিভাগে বিদ্যুতের চাহিদা ৬শ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ ৪শ থেকে সাড়ে ৪শ মেগাওয়াট। ফলে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। এ সমস্যা সন্ধ্যার পর কমে আসবে বলে জানান তিনি।







