গত কয়েক দিনে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৬ জন। এদের প্রত্যেকেই ঢাকায় আক্রান্ত হয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে এসে চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩ জন। ডেঙ্গু আক্রান্তদের জন্য ভ্রমণ করাটা নিরাপদ জানিয়ে আক্রান্তদের ঢাকাতেই চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জেলার সিভিল সার্জন ডা. এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি জানান, ঠাকুরগাঁওয়ে কেউ ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৯ জুলাই) রাতে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে তিন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসা নিতে দেখা যায়। তারা হলেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার উত্তর বঠিনা গ্রামের সিরাজুল ইসলামের মেয়ে সুমি আক্তার(২৪),পীরগঞ্জ উপজেলার ভবেশ রায়ের ছেলে ঢাকায় টেইলারিং কারিগর স্বপন রায়(২১), পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার রাধানগর গ্রামের শাহ আলমের ছেলে গাজীপুরের টেক্সটাইল শ্রমিক পাইলট(২০)।
চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরে যাওয়া রোগীরা হলেন, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বামুনিয়া গ্রামের দমিজুল ইসলামের ছেলে রবিউল ইসলাম(১৯), সদর উপজেলার ফকদনপুর গ্রামের রতিশ বর্মনের ছেলে শহর বর্মন(১৯) ও দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ এলাকার খাইরুল ইসলামের ছেলে রুবেল (৩০) ।
কম সুযোগ সুবিধা, অনুন্নত যন্ত্রপাতি জেনেও ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁওয়ে চিকিৎসা নিতে আসার কারণ হিসেবে পোষাক শ্রমিক পাইলট ও স্বপন জানান স্বজনদের সান্নিধ্যের আশায় তারা রোগ নিয়ে ফিরে আসছেন।
জেলার সিভিল সার্জন ডা. এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম জানান সদর হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ের তেমন কোনও যন্ত্রাপাতি নেই। জেলার কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ের দুই-একটি পরীক্ষা করা যায়। বাকি পরীক্ষাগুলো রংপুর মেডিকেলসহ বাইরে থেকে করানো হচ্ছে। তিনি হাসপাতালের অন্য রোগীদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন। সিভিল সার্জন বলেন, সাধারণ কোনও মশা ডেঙ্গু রোগীর শরীরে কামড় দিয়ে অন্য কোন মানুষকে কামড়ালে তাতে সাধারণত ডেঙ্গু রোগ ছড়াবে না। এক মাত্র এডিস মশার মাধ্যমেই ডেঙ্গু রোগ ছড়ায়।








