দিনাজপুরের হিলিতে হঠাৎ জেঁকে বসেছে শীত। সেই সঙ্গে কুয়াশা ও হিমেল বাতাস শীতের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। কাজে বের হতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে অনেকে।
সকালের দিকে ঘন কুয়াশা ঝরছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের দেখা মেলায় শীতের মাত্রা কিছুটা কমছে। তবে বিকালের পর থেকে আবারও শীত অনুভূত হচ্ছে।
পঞ্চাশোর্ধ আনোয়ার হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, কয়েকদিন ধরে বেশ ঠান্ডা পড়ছে। এতে আমাদের মতো বয়স্ক মানুষের চলাফেরায় সমস্যা হচ্ছে।
দিনমজুর ইসমাইল হোসেন বলেন, হিলিতে খুব ঠান্ডা পড়েছে। আমরা তো কাজের মানুষ, কাজ করে খেতে হয়। কাজ না করলে খাবো কী? তাই শীত উপেক্ষা করে কাজে যাচ্ছি।
দিনাজপুর আবহাওয়া অধিদফতরের ইনচার্জ তোফাজ্জল হোসেন জানান, শুক্রবার (১৭ ডিসেম্বর) দিনাজপুর অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ৯০ শতাংশ, বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৪-৫ কিলোমিটার। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।









