দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে কয়লা উত্তোলন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গত ২৭ জানুয়ারি থেকে কয়লা উত্তোলন বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী কামরুজ্জামান জানান, ‘১৯৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ৩১ জন করোনায় আক্রান্ত। আমি আক্রান্ত হয়েছি। এছাড়া এখানে কর্মরত ২৯৩ জন চীনা নাগরিকের মধ্যে ৫০ জনের বেশি আক্রান্ত হয়েছেন। এ কারণে কয়লা খনির উৎপাদন সাময়িক বন্ধ রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে খনির অভ্যন্তরে দুই লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি কয়লা মজুত রয়েছে। ফলে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ার কোনও আশঙ্কা নেই।’
খনি সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরেই বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ভেতরে কর্মরত চীনা নাগরিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছিলেন। ২৯৩ জন চীনা নাগরিকের মধ্যে ১৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরে ৩৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া ১৯৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ৭২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তাদের মধ্যে ৩১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
এদিকে শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী অসুস্থ রয়েছেন। ফলে খনিতে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের ছুটি দিয়ে শুক্রবার সকাল থেকে উত্তোলন বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী ওয়াজেদ আলী বলেন, বড়পুকুরিয়ার কয়লা দিয়ে এই তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। বর্তমানে যে মজুত আছে তা দিয়ে দুই মাস উৎপাদন অব্যাহত রাখা যাবে। এই সময়ের মধ্যে পুনরায় উৎপাদন শুরু হলে জ্বালানির সংকট হবে না। তবে এরপরে জ্বালানির সংকট হতে পারে।









