সরবরাহ বাড়ায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে শুকনো মরিচের দাম কমেছে কেজিতে ৬০ টাকা। নিত্যপ্রয়োজনীয় বেশিরভাগ পণ্যের দাম যখন ঊর্ধ্বমুখী তখন শুকনো মরিচের দাম কমায় খুশি নিম্নআয়ের মানুষজন। সরবরাহ ঠিক থাকলে দাম আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
সোমবার (০২ সেপ্টেম্বর) বিকালে হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব কটি দোকানে পর্যাপ্ত শুকনো মরিচ রয়েছে। আগের চেয়ে কেজিতে ৬০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। দাম কমায় বিক্রিও বেড়েছে।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত সপ্তাহে প্রতি কেজি শুকনো মরিচ প্রকারভেদে ৩০০-৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। সোমবার তা কমে প্রকারভেদে ২৪০-২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
হিলি বাজারে কেনাকাটা করতে আসা নূরে আলম বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় বেশিরভাগ পণ্যের দাম বেশি। ফলে আমাদের মতো নিম্নআয়ের মানুষের সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাসা থেকে এক হিসাব করে টাকা আনছি, কিন্তু এসে পণ্যের দামে সে হিসাব মেলাতে পারছি না। এ অবস্থায় একটু স্বস্তির খবর হলো শুকনো মরিচের দাম কেজিতে ৬০ টাকা কমেছে। গত সপ্তাহে ছিল ৩০০-৩২০ টাকা। আজ ২৪০ টাকায় কিনেছি। শুকনো মরিচের মতো সব পণ্যের দাম কমলে আমরা কিছুটা হলেও স্বস্তি পেতাম।’
হিলি বাজারের শুকনো মরিচ বিক্রেতা আবুল হাসনাত বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমের কারণে বেশ কিছুদিন ধরে শুকনো মরিচের দাম বেশি ছিল। ইতোমধ্যে পঞ্চগড়ের শুকনো মরিচ বাজারে আসতে শুরু করেছে। এখন সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে। আগে মোকামে প্রতি মণ প্রকারভেদে ১০-১২ হাজার টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে সাত হাজার ২০০ থেকে আট হাজারে নেমেছে। কম দামে কিনতে পারছি বলে কমেই বিক্রি করতে পারছি। সরবরাহ ঠিক থাকলে সামনের দিনগুলোতে দাম আরও কমবে।’









