ক্ষমতায় গেলে অহংকার করার মতো একটি দেশ গড়ে তুলবো: জামায়াত আমির

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
২৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৬:৩৬আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৬:৩৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘ক্ষমতায় গেলে আমরা একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও অহংকার করার মতো একটি দেশ গড়ে তুলবো। যেখানে কোনও চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, সন্ত্রাসী ও ঘুষ-দুর্নীতি থাকবে না। গাইবান্ধার মানুষের উন্নয়নে আমি নিজে থেকেই কাজ করবো। গাইবান্ধার মানুষ যাতে বঞ্চিত না হয় সে বিষয়ে সার্বিক নজর থাকবে। জেলার মানুষের জন্য শিক্ষা, চিকিৎসার পাশাপাশি কৃষিতে উন্নয়নে কলকারখানা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে। শিক্ষিত ছেলে-মেয়ে যারা আছেন- তাদের চাকরি কিংবা কামের ব্যবস্থা করে বেকারত্ব দূর করা হবে।’

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গাইবান্ধা জেলা শহরের ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘পিলখানা হত্যাকাণ্ড ও শাপলা চত্বরে হেফাজত ইসলামীর নেতাকর্মীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। রাতের আঁধারে হাজারো লাশ ড্রেনে ফেলে দেওয়া হয়। এসব কিছুর পেছনে পরোক্ষভাবে জড়িত থেকেও নানা নাটক করে স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকার। পিলখানার হত্যা ঘটনার পর বিডিআর সদস্যের নাম ও পোশাক পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত এই ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট আলোর মুখ দেখেনি। ক্ষমতার দম্ভে হেফাজতে ইসলামীর নেতাকর্মীর হত্যাকাণ্ড নিয়ে সে সময় উপহাস করেছিল ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার। অথচ ভাগ্যের কী পরিহাস, আজ নিজেই তিনি পালিয়ে গেছেন। দলের নেতাকর্মীদের একটু সান্ত্বনাও দিতে পারেননি।’

জামায়াতের আমির বলেন, ‘বিগত সাড়ে ১৫ বছর সারা দেশজুড়েই রক্তপাত আর কাড়ি কাড়ি লাশ পড়েছে। গুম-হত্যার শিকার হাজারো বনি আদমের আজও খবর পাওয়া যাচ্ছে না। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে মানুষের ওপর দফায়-দফায় অত্যাচার আর জুলুম-নির্যাতন হয়েছে। শুধু তাই নয়, ২০০৬ সালে লগি-বৈঠার তাণ্ডব চালিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার ৫৪ মানুষকে খুন করে লাশের ওপরে নাচানাচি করছে।’

দেড়যুগ পর গাইবান্ধা জেলায় অনুষ্ঠিত কর্মী সম্মেলনে সকাল থেকেই ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ কানায়-কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। সেখানে বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন থেকে এসেছেন জামায়াত ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। ছোট-বড় মিছিল নিয়ে, স্লোগান দিতে দিতে তারা মাঠে প্রবেশ করেন।

/এফআর/
সম্পর্কিত
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
ইসলামী ব্যাংক নিয়ে টানাটানির সুযোগ দেওয়া হবে না: শফিকুর রহমান
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির নিন্দা জামায়াতের, বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ
সর্বশেষ খবর
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
ভাতের সঙ্গে জমবে মজাদার সরষে সবজি
ভাতের সঙ্গে জমবে মজাদার সরষে সবজি
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্তিতে জোর দেবে নতুন বিএসইসি
ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্তিতে জোর দেবে নতুন বিএসইসি
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী