সামনে মহাবিপদের আশঙ্কা, দেশ সংঘাতের দিকে যাচ্ছে: জি এম কাদের

রংপুর প্রতিনিধি 
২৯ মে ২০২৫, ২০:১৯আপডেট : ২৯ মে ২০২৫, ২০:১৯

দেশ একটা বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি বলেছেন, ‘সামনে মহাবিপদের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দেশ ভালোভাবে চলছে না। কয়েকজন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দেওয়ায় সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। দেশ ক্রমশই সংঘাতের দিকে যাচ্ছে।’

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বিকালে রংপুর নগরের সেনপাড়া এলাকায় নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

ফ্যাসিবাদের দোসর ট্যাগ দিয়ে জাতীয় পার্টিকে গোনায় ধরছে না অন্তর্বর্তী সরকার উল্লেখ করে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘অথচ আমরা নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত দল। আমাদের সভা-সমাবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। দলের কাউন্সিল করতে দেওয়া হয় না। নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আটক রাখা হচ্ছে। রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এখন দেশে দুই ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছে। একটা ফ্যাসিবাদবিরোধী আরেকটা ফ্যাসিবাদের দোসর। আমাদেরকে ফ্যাসিবাদের দোসর ট্যাগ দিয়ে সব অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। অথচ বিডিআর হত্যাকাণ্ড ও শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রতিবাদ করেছিল জাতীয় পার্টি। শাপলা চত্বরের সমাবেশকে আমাদের তখনকার পার্টি প্রধান সরাসরি সমর্থন দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের নানা কাজের সমালোচনা করেছি আমরা। এরপরও আমাদের দোসর ট্যাগ দিয়ে সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সবসময় সংসদে আমাদের প্রতিনিধিত্ব ছিল। দেশের সব জায়গায় আমাদের ভোট আছে। দেশব্যাপী আমাদের সংগঠন আছে। সেখানে প্রধান উপদেষ্টা আমাদের হিসেবেই ধরছেন না। দক্ষিণ আফ্রিকায় যেভাবে বর্ণবাদী আচরণ করা হয়েছিল, আমাদের সঙ্গেও একই ব্যবহার করা হচ্ছে।’

এর আগে বিকালে ঢাকা থেকে বিমানযোগে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আসেন জি এম কাদের। সেখান থেকে নগরের সেনপাড়ায় নিজ বাসভবনে এলে দলের নেতাকর্মীরা স্বাগত জানান। এ সময় জেলা জাপার আহ্বায়ক আজমল হোসেন লেবু, মহানগর সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসিরসহ অন্যান্য নেতা উপস্থিত ছিলেন।

/এএম/
সম্পর্কিত
জিএম কাদেরের মন খারাপ, দেননি ভোট
সংস্কার হচ্ছে উছিলা, ‘হ্যাঁ’ ভোটে ক্ষমতায় থাকতে চায় তারা: জি এম কাদের
‎আ.লীগকে ভোটের বাইরে রেখে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না: জি এম কাদের
সর্বশেষ খবর
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রাঘাতে ৬ জনের মৃত্যু, ৪ জনই গিয়েছিলেন আম কুড়াতে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রাঘাতে ৬ জনের মৃত্যু, ৪ জনই গিয়েছিলেন আম কুড়াতে
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের সংশোধন খসড়া অনুমোদন
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের সংশোধন খসড়া অনুমোদন
বিচার বিভাগের বাজেট পৃথকীকরণসহ সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় পুনর্গঠনের দাবি
বিচার বিভাগের বাজেট পৃথকীকরণসহ সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় পুনর্গঠনের দাবি
কালোটাকা ও সম্পদ-কর থেকে সরে আসছে সরকার
প্রবাসীদের জন্য সুখবরকালোটাকা ও সম্পদ-কর থেকে সরে আসছে সরকার
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী