নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নীলফামারী সদরের বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর ও ১১ জন আহতের ঘটনা ঘটেছে। তৃতীয় ধাপে ২৩ এপ্রিল এ উপজেলায় পাঁচটি ইউনিয়নের নির্বাচন সম্পন্ন হয়।
রবিবার সকালে সদরের রামনগর ইউনিয়নের বাহালী পাড়া গ্রামের ২নং ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে নির্বাচন করেন রফিকুল ইসলাম (তালা) ও আব্দুল হামিদ (ফুটবল) এর মধ্যে এই সংঘর্ষ ঘটে। তারা দুজনই নির্বাচনে পরাজিত হন।
নীলফামারী থানার ওসি শাহাজান পাশা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুই প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের ভুল বুঝাবুঝিকে কেন্দ্র করে সহিংসতার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামলাতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। থানায় মামলা হলে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, আজ দুপক্ষের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তালা মার্কার (রফিকুল) সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আব্দুল হামিদের বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় বেধড়ক পিটিয়ে ১১ জনকে আহত করা হয়।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহতরা হলেন ফুটবল প্রার্থী আব্দুল হামিদ (৪৫), লায়লা (১৮), পাখিজা বেগম (৩৫), নুরনাহার বেগম (৪০), নুর মোহাম্মদ (২২), জাহাঙ্গীর আলম (২৯), আবু কালাম, (১৯) রশিদুল ইসলাম (৫৫), ফারুক মিয়া (৩৬), শিউলী (২৫), মনি আকতার (১৯)।
এ সময় কুপিয়ে জখম করা হয় লায়লা ও নুর মোহাম্মদকে। তাদের গুরুতর অবস্থায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
আব্দুল হামিদ অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষের লোকজন বাড়ি ঘর ভাঙচুরসহ ঘরে থাকা ১০ ভরি স্বর্ণ এবং নগদ ৫০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
তাৎক্ষণিক ভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন, নীলফামারী সদরের সহকারী ভূমি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফকরুল হাসান।
আরও পড়ুন:
যশোরে মাদক মামলায় দুই ভাইয়ের যাবজ্জীবন
/এনএস/টিএন/আপ-এআর/








