হবিগঞ্জের উত্তরসুর থেকে নিখোঁজের তিনদিন পর ধানক্ষেত থেকে ৯ বছরের শিশু সুলতানার লাশ উদ্ধার নিয়ে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছিল। এ নিয়ে রবিবার রাতে হবিগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে পুলিশ।
জানা যায়, পুলিশ শিশু সুলতানার লাশ উদ্ধারের পর ঘটনার সঙ্গে জড়িত চার ঘাতককে আটক করে ডিবি পুলিশ। আটককৃত ঘাতক বাবলু রবিবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাওসার আলমের আদালতে হত্যাকাণ্ডের এক লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে।
ঘাতক বাবলু উপজেলার হামিদনগর গ্রামের আছকির মিয়ার পুত্র। রবিবার বিকেলে ডিবি পুলিশের এসআই সুদ্বিপ রায় ও আব্দুল করিমসহ একদল পুলিশ কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাকে হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাওছার আহমেদের আদালতে হাজির করলে এ স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
পুলিশ জানায়, ১৭ আগস্ট দুপুরে দোকানে যাওয়ার কথা বলে উত্তরসুর গ্রামের আফজল মিয়ার কন্যা স্থানীয় প্রাইমারী স্কুলের ৩য় শ্রেণীর ছাত্রী সুলতানা আক্তার (৯) বাড়ি থেকে বের হয়। এ সময় বাবুল, অলি মিয়া, মুগকান্দির সিজিল মিয়া, হামিদনগরের সিজিল, মুখলেছ, শামীম তাকে তুলে বাবুলের বাড়িতে নিয়ে যায়। যৌন নির্যাতনে শিশুটির মৃত্যু ঘটে।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামছুল আলম ভূইয়া ঘাতক বাবলুর স্বীকারোক্তির বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার সাজিদুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার রাসেলুর রহমান রাসেল, সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সুদীপ্ত রায় প্রমুখ।
/এইচকে/
পড়ুন: সিলেটে বুধবার অর্ধদিবস হরতাল আহ্বান








