হবিগঞ্জের বাহুবলে চার শিশু হত্যা মামলার সাক্ষ্য নেওয়ার নতুন তারিখ ধার্য্য করেছেন আদালত। আগামী ৯ অক্টোবরে সাক্ষ্য নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। বাদীপক্ষের আইনজীবী নিয়ে জটিলতার কারণে সাক্ষ্য নেওয়ার তারিখ সোমবার থেকে পিছিয়ে অক্টোবরে ধার্য্য করা হয় বলে বাংলা ট্রিবিউনকে জানান হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আবুল হাসেম মোল্লা মাসুম।
এর আগে, সোমবার সাক্ষ্য গ্রহণের নির্ধারিত তারিখে কারাগারে থাকা আসামী পঞ্চায়েত প্রধান আব্দুল আলী বাগাল, তার দুই ছেলে রুবেল মিয়া ও জুয়েল মিয়া, তার সেকেন্ড ইন কমান্ড আরজু মিয়া ও সালেহ আহমেদকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচার মোঃ আতাবুল্লাহ আদালতে হাজির করা হয়। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে সাক্ষ্য গ্রহণ না করে আগামী ৯ অক্টোবর সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করে আসামীদের কারাগারে প্রেরণের নিদের্শ দেন আতালত।
মাসুম জানান, আজ আদালতে ৪ শিশু হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহনের তারিখ ধার্য্য ছিল। যথারীতি সাক্ষীও হাজির ছিল। কিন্তু বাদীপক্ষের আইনজীবী নিয়ে জটিলতা থাকার কারণে আজ সাক্ষ্য গ্রহন না করার জন্য আদালতে একটি আবেদন করেন রাষ্ট্রপক্ষ। সেই আবেদনে প্রেক্ষিতে আদালত আগামী ৯ অক্টোবর সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারন করেন।
উল্লেখ্য, জেলার বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), তার চাচাতো ভাই মনির মিয়া (৭), তাজেল মিয়া (১০) ও ইসমাইল হোসেন (১০)এ বছরের ১২ ফেব্রুয়ারিতে গ্রামের পার্শ্ববর্তী মাঠে খেলা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারী বাড়ির অদূরে একটি বালুর ছড়া থেকে মাটি চাপা দেওয়া অবস্থায় তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ইতোমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আব্দুল আলীর দুই ছিলে রুবেল জুয়েলসহ আদালতে চারজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ঘটনার অন্যতম আসামী বাচ্চু র্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছে।
/এইচকে/








