সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক অবরোধ করে রেখেছে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রীয় ঘোষণা অনুযায়ী অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেছে তারা।
বুধবার (১১ এপ্রিল) সকাল ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছে তারা। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শাবি’র আবাসিক ছাত্রীহল থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল এতে অংশ নেয়। এসময় তাদের হাতে বিভিন্ন লেখা বেষ্টিত স্লোগান দিয়ে আসতে দেখা যায় বলে ক্যাম্পাস সূত্র জানায়।
বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও বিভাগেই সকাল সাড়ে ৮টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনও ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। এমনকি শিক্ষার্থীদের বহন করা বিআরটিসির বাস ক্যাম্পাস ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তবে শিক্ষকদের বাস ঢুকতে দেওয়া হয়েছে বলে জানান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা কোনও বৈষম্য চাই না, অতি দ্রুত কেন্দ্র ঘোষিত ৫ দফা দাবি মেনে নিতে হবে। এছাড়া কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীকে তার বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।’
শাবি শাখার আহ্বায়ক ও সিলেট বিভাগীয় সম্বন্বয়ক মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘শিগগিরিই কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার এবং ছাত্রসমাজের কাছে তাকে ক্ষমা চাইতে হবে। এছাড়া কোটা সংস্কার দ্রুত করতে হবে। অন্যথায় আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। ’
এদিকে, মঙ্গলবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদ কোটা সংস্কারের পক্ষে থেকে ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মত দেন।
বর্তমানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ বিভিন্ন ধরনের অগ্রাধিকার কোটা রয়েছে। আর বাকি ৪৪ শতাংশ নিয়োগ হয় মেধা কোটায়। এজন্য এই কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা।







