X
শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২
১৭ আষাঢ় ১৪২৯

শাবির সাবেক ৫ শিক্ষার্থী গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে, দাবি পুলিশের

আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০২২, ২০:৫৯

আন্দোলনকারীদের টাকার জোগান দেওয়ার অভিযোগে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সাবেক পাঁচ শিক্ষার্থীকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করছে আইনশৃঙ্খলার এ বাহিনী।

মঙ্গলবার (২২ জানুয়ারি) বিকাল ৫টার দিকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল তাদের সিলেটে নিয়ে আসে। এরপর তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানায় হস্তান্তর করা হয়। এর আগে, সোম ও মঙ্গলবার ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে সিআইডি

আটক সাবেক শিক্ষার্থীরা হলেন- টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর দারিপাকা গ্রামের মতিয়ার রহমান খানের ছেলে হাবিবুর রহমান খান (২৬), বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন লক্ষ্মীকোলা গ্রামের মঈন উদ্দিনের ছেলে রেজা নুর মঈন (৩১), খুলনা জেলার সোনাডাঙ্গার মিজানুর রহমানের ছেলে এ এফ এম নাজমুল সাকিব (৩২), ঢাকা মিরপুরের মাজার রোডের জব্বার হাউসিং বি-ব্লকের এ কে এম মোশাররফের ছেলে এ কে এম মারুফ হোসেন (২৭) ও কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানাধীন নিয়ামতপুর গ্রামের সাদিকুল ইসলামের ছেলে ফয়সল আহমেদ (২৭)।

এর মধ্যে হাবিবুর শাবির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ থেকে ২০১২ সালে পাস করেছেন। একই বছর আর্কিটেকচার বিভাগ থেকে পাস করেছেন রেজা নুর মঈন ও নাজমুস সাকিব দ্বীপ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী বলেন, ‘তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছিল। এ জন্য তারা আন্দোলনকারীদের অর্থের জোগান দেওয়ার জন্য কাজ করার পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকা পাঠিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলায় ব্যাঘাত ঘটানোর অপচেষ্টার অভিযোগ রয়েছে এই পাঁচ জনের বিরুদ্ধে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এরপর তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিকে, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আন্দোলনরতদের জন্য ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা পাঠাতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা। ইস্টার্ন ব্যাংকের একটি অ্যাকাউন্ট, তিনটি বিকাশ, একটি রকেট ও একটি নগদ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকা আসতো। প্রতিদিন সব মিলিয়ে লাখের মতো টাকা আসতো। সেই টাকা থেকে শিক্ষার্থীদের খাবার ও আন্দোলনের সব খরচ করা হতো। সোমবার থেকে সব অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তারা প্রাথমিকভাবে বিকাশসহ নগদ ও রকেটের কল সেন্টারে যোগাযোগ করলেও কোনও সদুত্তর পাননি।

এ বিষয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী সাদিয়া আফরিন বলেন, ‘আমাদের আর্থিক লেনদেনের সব অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এগুলো আমাদের আন্দোলন নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র বলে আমি মনে করি। তবে এসব করে কোনও লাভ হবে না। আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো এবং সফল হবো।’

/এফআর/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
বিদ্যুৎ কোম্পানিতে চাকরি, শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি
বিদ্যুৎ কোম্পানিতে চাকরি, শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি
টিভিতে আজ
টিভিতে আজ
‘এতদিন শুকনো খাবার খেয়ে থাকা যায়?’
‘এতদিন শুকনো খাবার খেয়ে থাকা যায়?’
নির্গমন কমাতে বাইডেনের ক্ষমতা কমিয়ে দিলো সুপ্রিম কোর্ট
নির্গমন কমাতে বাইডেনের ক্ষমতা কমিয়ে দিলো সুপ্রিম কোর্ট
এ বিভাগের সর্বশেষ
‘এতদিন শুকনো খাবার খেয়ে থাকা যায়?’
‘এতদিন শুকনো খাবার খেয়ে থাকা যায়?’
মানবতাবিরোধী অপরাধ, শফিকে গ্রেফতার করে রায় কার্যকরের দাবি
মানবতাবিরোধী অপরাধ, শফিকে গ্রেফতার করে রায় কার্যকরের দাবি
নদীর চোরাবালিতে আটকে প্রাণ গেলো ২ ছাত্রের
নদীর চোরাবালিতে আটকে প্রাণ গেলো ২ ছাত্রের
‘ছিলাম ভূমিহীন বন্যায় হলাম গৃহহীন’
‘ছিলাম ভূমিহীন বন্যায় হলাম গৃহহীন’
পদ্মা সেতুর টোল প্লাজা থেকে প্রাচীন মূর্তিসহ আটক ১
পদ্মা সেতুর টোল প্লাজা থেকে প্রাচীন মূর্তিসহ আটক ১