X
সকল বিভাগ
সেকশনস
সকল বিভাগ

জাফরিন থেকে কীভাবে এতদূর গড়ালো শাবির আন্দোলন

আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০২২, ১৪:৫২

অবশেষে ১৬৩ ঘণ্টা পর ‘আমরণ অনশন’ ভাঙলেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮ শিক্ষার্থী। আন্দোলনের ১৩ তম ও অনশনের ৮ম দিনে বুধবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ২২ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রী ড. ইয়াসমিন হক শিক্ষার্থীদের পানি পান করিয়ে অনশন ভাঙান। তবে অনশন ভাঙলেও উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। 

যেভাবে আন্দোলনের শুরু:
শাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের শুরু গত ১৩ জানুয়ারি। রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদ লিজার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েকশ’ ছাত্রী। এরপর ১৫ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী হামলা চালান। তারা আন্দোলনকারী সাধারণ ছাত্রীদের মারধর করেন। পরে ১৬ জানুয়ারি বিকালে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি ভবনে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করেন। 

 শিক্ষার্থীদের ওপর চলে গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড: 
শিক্ষার্থীরা অবরুদ্ধ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ ডাকেন উপাচার্য। এসময় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার আজবাহার আলী শেখের নেতৃত্বে ‘ক্রাইসিস রেসপন্স টিম’সহ পুলিশ বাহিনী ক্যাম্পাসে আসে। পুলিশ ক্যাম্পাসে এসে দুই ঘণ্টার বেশি সময় অপেক্ষা করে। পরে বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট জাফরিন আহমেদ লিজা পদত্যাগ করতে সম্মতি জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম ভবনের ভেতরে প্রবেশ করতে চান। শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র কোষাধ্যক্ষকে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেন। যখন কোষাধ্যক্ষ ভবনের ভেতরে প্রবেশ করতে যান, তখনই পুলিশ লাঠিচার্জ, গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে শিক্ষার্থীদেরকে ছত্রভঙ্গ করতে শুরু করে। পরে উপাচার্যকে উদ্ধার করে বাসভবনে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া হয়। 

উপ-কমিশনার আজবাহার আলী শেখ বলেন, শিক্ষার্থীরা পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা শুরু করে। এমনকি শিক্ষার্থীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেলও ছোড়ে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট ছোড়ে পুলিশ। পুলিশ ২১টি সাউন্ড গ্রেনেড ও ৩৪ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোড়ে। এতে করে শিক্ষার্থীরা পালিয়ে যায় এবং বিভিন্ন ভবনে অবস্থান নেয়। 

 পুলিশের লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেডের স্প্রিন্টারের আঘাতে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী  আহত হন। ঘটনার প্রতিবাদে মধ্যরাতে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। প্রথমে ক্যাম্পাস পুলিশের দখলে থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে রাতেই শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চে অবস্থান নেন। এদিন রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ক্যাম্পাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা ও পরের দিন মঙ্গলবার দুপুর ১২টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশনা জারি হয়।

তবে শিক্ষার্থীরা নির্দেশনা উপেক্ষা করে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তার পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনে নামেন। বাসভবনের সামনে অবস্থানের কারণে গত ১৭ জানুয়ারি থেকেই অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদ। 

এরপর পুলিশ ৩০০ জন শিক্ষার্থীকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করে। 

জাফরিন থেকে কীভাবে এতদূর গড়ালো শাবির আন্দোলন উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আমরণ অনশন:
১৮ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের উদ্দেশে বিশ্ববিদ্যালয় পরিস্থিতি জানিয়ে খোলা চিঠি পাঠ করেন শিক্ষার্থীরা। ১৯ জানুয়ারি দুপুর আড়াইটা থেকে উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমরণ অনশনে বসেন ২৪ শিক্ষার্থী। পরে ২৪ জনের সঙ্গে আরও চার জন শিক্ষার্থী যুক্ত হন। বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টার থেকে অনশনরতদের চিকিৎসা সেবা চাওয়া হলেও তা দিতে অস্বীকৃতি জানায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও রাগীব-রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের দুটি টিম এসে শিক্ষার্থীদের সেবা দিতে শুরু করে। যদিও পরে বিভিন্ন চাপে ওসমানী মেডিক্যালের টিমটি শিক্ষার্থীদের সেবা দিতে পারেনি।

এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের ডাইনিং, ক্যান্টিন ও ক্যাফেটেরিয়ায় খাবার বন্ধ করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সবকিছু বন্ধ থাকায় বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের জন্য অর্থ সহায়তা চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা শুর করা হয়। এ জন্য ‘ফুড অ্যান্ড কেয়ার’ নামে একটি ফেসবুক পেজ খোলেন শিক্ষার্থীরা। ওই পেজের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ শুরু হয়। অর্থ সরবরাহে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরাও সাড়া দেন। সেদিন রাত থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুডকোর্টের সামনে রান্না শুরু হয়। 

জাফরিন থেকে কীভাবে এতদূর গড়ালো শাবির আন্দোলন পররাষ্ট্র ও শিক্ষামন্ত্রীর উদ্যোগ:
শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশন থেকে ফেরাতে ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে চেষ্টা চালান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

পরে সংকট নিরসনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম নাদেলসহ সিলেটের স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও চেষ্টা চালান। তবে শিক্ষার্থীরা উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন ও অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, এ আন্দোলনে তৃতীয় পক্ষের কোনও উসকানি বা ইন্ধন নেই। তবে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পক্ষ থেকে আন্দোলনে তৃতীয় পক্ষের ইন্ধন থাকার অভিযোগ ওঠে। 

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে আমাদেরও সহমত ছিল। তাদের অনশন ভাঙানোর জন্য একাধিকবার গিয়েছিলাম তাদের কাছে। কিন্তু তারা কথা শোনেননি। তারা আন্দোলনকে আরও গতিশীল করার জন্য ভিন্ন পথে চলে যান। আমরা তাদেরকে বার বার অনুরোধ করেছি আন্দোলন যেন শান্তিপূর্ণ হয়। কিন্তু তারা আমাদের আহ্বান না মেনে ভিসির বাসভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দিয়েছিল। যাই হোক সব কিছুর পরে তারা অনশন ভেঙেছে, এজন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে সন্তুষ্ট।

 আন্দোলনে টাকা দিয়ে সাবেক পাঁচ শিক্ষার্থী আটক:
এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে মানবিক সহায়তা দিয়ে আটক হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক পাঁচ শিক্ষার্থী। ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেফতার করে সিলেটের জালালাবাদ থানার এক মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। মামলায় পুলিশি কাজে বাধা দান এবং আন্দোলনে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ করা হয়।  

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে সংসদে আলোচনা:
উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন নিয়ে জাতীয় সংসদেও আলোচনা হয়। সংসদে জাতীয় পার্টির দুই সদস্য বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও দেওয়া হয় বিবৃতি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নানা কর্মসূচি পালন করেন। মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি, প্রতীকী অনশনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে শাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানান দেশের বিভিন্ন এলাকা ও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। 

জাফরিন থেকে কীভাবে এতদূর গড়ালো শাবির আন্দোলন যা বলছেন শিক্ষার্থীরা
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী মীর রানা বলেন, জাফর স্যারের আশ্বাসে আমরা অনশন ভেঙেছি। তা না হলে আমরা কোনোভাবেই অনশন থেকে সরে আসতাম না। তবে আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো। এই আন্দোলন আর থামানো যাবে না, যতক্ষণ না ভিসি পদত্যাগ করছেন। আমাদেরকে চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও সাবেক শিক্ষার্থীদের দেওয়া টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়ে নানাভাবে হয়রানি করে আন্দোলন বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু আমরা আমাদের পকেটের টাকা দিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেই।

তিনি বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাই ও আপুরা বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে আর্থিক সহযোগিতা করেছিলেন বলেই আমরা অসুস্থ আন্দোলনকারীদের চিকিৎসা ও খাবারের ব্যবস্থাসহ সার্বিক ব্যয় বহন করতে পেরেছি। বন্ধ হয়ে যাওয়া অ্যাকাউন্টগুলোতে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা পড়ে রয়েছে। অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ায় এই টাকাগুলো আর তোলা হয়তো সম্ভব নয়।

জাফরিন থেকে কীভাবে এতদূর গড়ালো শাবির আন্দোলন অনশন ভাঙাতে ক্যাম্পাসে অধ্যাপক জাফর ইকবাল ও ইয়াসমিন হক: 

এদিকে শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙাতে বুধবার (২৬ জানুয়ারি) ভোর ৪টায় শাবি ক্যাম্পাসে পৌঁছান অধ্যাপক জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রী অধ্যাপক ইয়াসমিন হক। পরে সকাল ১০ টা ২২ মিনিটের দিকে তাদের হাতে পানি পান করে অনশন ভাঙেন শিক্ষার্থীরা।

অনশন ভাঙাতে গিয়ে ড. জাফর ইকবাল বলেন, উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তারা আমার বাসায় এসেছিল। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তোমরা যা চাইছো, যে দাবি তোমাদের, সেটা পূরণ হবে। তাদের সঙ্গে আলোচনার পর আমরা দেরি করিনি, সরাসরি এখানে চলে এসেছি। আমরা তোমাদের অনশন না ভাঙিয়ে যাবো না। তোমরা পুরো দেশ কাঁপিয়ে দিয়েছো। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ শুনে শাবি ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করেন জাফর ইকবাল। 

তিনি বলেন, ‘আমি ধরে নিয়েছিলাম, অনশনের এখানে মেডিক্যাল টিম আছে। তারা সার্বক্ষণিক দেখভাল করছে। কিন্তু এখানে এসে দেখলাম, কোনও ডাক্তার নেই। ডাক্তাররা ছিলেন, কিন্তু তাদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে এখান থেকে সরিয়ে দিয়েছে। আমি এসব ঘটনা বলবো। এখানে অনশনকারীদের অবস্থাই যখন এত খারাপ, তাহলে অসুস্থ ২০ জনের কী অবস্থা! আমি শঙ্কিত। এটা চরম অমানবিকতা। ’

 শাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন পুরো দেশে আলোড়ন তুলেছে উল্লেখ করে জাফর ইকবাল বলেন, ‘তোমরা ইতিহাস গড়েছো। তোমাদের মাধ্যমে যে বার্তা গিয়েছে, তাতে ভবিষ্যতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগের আগে একবার অন্তত ভাবা হবে। তোমাদের সঙ্গে দেশের সব তরুণ আছে।’

ছাত্রদের উদ্দেশে জাফর ইকবাল আরও বলেন, ‘তোমাদের আন্দোলনে ৩৪ জন ভিসির ঘুম নষ্ট হয়ে গেছে। এই ভিসি পদত্যাগ করলে তারাও পদত্যাগ করতে চেয়েছে। আমি ৩৪ জন ভিসির পদত্যাগ দেখতে চাই। তোমরা সারা বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে নাড়া দিয়েছো।’ 

 

/টিটি/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেলো দুই মোটরসাইকেল আরোহীর
ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেলো দুই মোটরসাইকেল আরোহীর
অবশেষে এ সপ্তাহ থেকে বিরোধী দলগুলোর কার্যালয়ে যাচ্ছে বিএনপি
অবশেষে এ সপ্তাহ থেকে বিরোধী দলগুলোর কার্যালয়ে যাচ্ছে বিএনপি
জিন্স ও টপস পরায় তরুণীকে মারধরের ঘটনায় যুবক আটক
জিন্স ও টপস পরায় তরুণীকে মারধরের ঘটনায় যুবক আটক
বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব
গ্লোবাল ক্রাইসিস রেসপন্স গ্রুপ-এর প্রথম উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকবৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
লাখাইয়ে বজ্রাঘাতে যুবক নিহত
লাখাইয়ে বজ্রাঘাতে যুবক নিহত