বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সিলেটে পুলিশের গুলিতে নিহত সাংবাদিক এ টি এম তুরাবের হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিলেট নগরীর সোবহানীঘাট এলাকায় নিহত সাংবাদিক তুরাবের মা ও স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এ প্রতিশ্রুতি দেন তারা।
এর আগে ধারাবাহিক সফরের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১১ জন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক সিলেটের পৌঁছান। এ সময় তারা সাংবাদিক তুরাবের মা মমতাজ বেগমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সান্ত্বনা দেন। সেখানে জেলা পর্যায়ের সমন্বয়করাও ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে কেন্দ্রীয় সমন্বয়করা তুরাবের মা মমতাজ বেগমকে বলেন, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একজন ছেলে শহীদ হয়েছেন। কিন্তু এখনও লাখো ছেলে তাদের পাশে রয়েছে। তুরাবের পরিবারের যেকোনও ধরনের প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তারা।
এ সময় ছাত্র সমন্বয়কদের কাছে ভাই হত্যার বিচার আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাংবাদিক তুরাবের বড় ভাই আবুল আহসান মো. আজরফ। তিনি বলেন, মৃত্যুর আগের দিনও তুরাবকে গুলি করে আহত করা হয়েছে। পরদিন তাকে টার্গেট করেই হত্যা করা হয়েছে। যারা তাকে গুলি করে হত্যা করেছে, তাদের এখনও চাকরিতে বহাল রাখা হয়েছে।
তুরাবের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, গণঅভ্যুত্থানে যারা বুলেটের সামনে বুক পেতে দিয়েছে, তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করার জন্য বিভিন্ন জেলায় সফর করা হচ্ছে। এই সফর ছাত্র-জনতার মধ্যে ঐক্য ধরে রাখতেও কাজ করবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সমন্বয়ক রেদোয়ন আহমেদ, ফয়সল হোসেন, সিলেট জেলার সমন্বয়ক ফয়সল হোসেন, আবু সাইদ, দেলোয়ার হোসেন ও গোলাম মর্তুজা প্রমুখ।









