হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহমদ রিংগনকে প্রধান আসামি করে মামলা করা হয়েছে। মামলায় আরও ১০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে বসে মামলাটি করেন হবিগঞ্জ জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহের।
মঙ্গলবার রাতে হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের বহনকারী গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়। এ সময় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার পাশাপাশি তাদের বহনকারী মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়। হামলায় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা সারজিস আলমসহ অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হন বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এনসিপির নেতারা জানান, আগের দিনের হামলার ঘটনায় তারা হবিগঞ্জ সদর থানায় গিয়ে সরাসরি মামলা করতে চেয়েছিলেন। তবে পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা কার্যকর থাকায় পুলিশ তাদের শহরে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। পরে দীর্ঘ আলোচনার পর কামাইছড়া পুলিশ ক্যাম্প থেকেই অনলাইনে অভিযোগ গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১৪৪ ধারা বলবৎ থাকায় পৌর এলাকায় সভা-সমাবেশ, মিছিল ও জনসমাগম নিষিদ্ধ রয়েছে। সম্ভাব্য সংঘর্ষ ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় এনসিপির নেতাকর্মীদের জেলা শহরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
এর আগে মঙ্গলবার হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের ওপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদে দলটি সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করে। এর অংশ হিসেবে বুধবার হবিগঞ্জে সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়। একই সময়ে ছাত্রদল ও সহযোগী সংগঠনগুলোর পৃথক কর্মসূচি থাকায় সম্ভাব্য সংঘর্ষ এড়াতে ১৪৪ ধারা জারি করে জেলা প্রশাসন।









