X
রবিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২২, ৮ মাঘ ১৪২৮
সেকশনস

অনুমতি ছাড়া ৬ স্কুল স্থানান্তর, উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে শোকজ

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২১, ২০:৩৫

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ছয়টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থানান্তর করা হয়েছে। বিদ্যালয়গুলোর নকশা পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও অনুমোদন নেওয়া হয়নি। এই ঘটনায় কলাপাড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।

বরিশাল বিভাগীয় উপপরিচালককে ওই শিক্ষা অফিসারের কাছে ব্যাখ্যা চাইতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যালয় স্থানান্তরের যৌক্তিকতা তুলে ধরে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নিয়ম হলো, কোনও বিদ্যালয় যদি স্থানান্তর করতে হয়, অধিদফতরের অনুমোদন নিতে হবে। কোনও ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়েরও অনুমোদন নিতে হয়। কিন্তু আমাদের জানানো হয়নি। এ জন্য সংশ্লিষ্টদের শোকজ করা হয়েছে। আমরা তো স্থানান্তরে বাধা দেবো না। কিন্তু অনুমোদন নিতেই হবে। এখন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো। তাদের ছেড়ে দিলে স্থানীয়ভাবে এমন আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া শুরু হবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের জমি অধিগ্রহণের কারণে প্রকল্প এলাকা থেকে দুটি ইউনিয়নের ছয়টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অন্যত্র স্থানান্তর করার প্রয়োজন হয়। বিদ্যালয় ছয়টি সরিয়ে নেওয়ার আগে প্রকল্প এলাকা থেকে অধিবাসীদেরও স্থানান্তর করা হয়েছে। যেসব এলাকায় স্থানীয় অধিবাসীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে সেই এলাকাতেই বিদ্যালয়গুলো নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ কাজে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অনুমোদন নেওয়া হয়নি।

বিদ্যালয় স্থানান্তরের চূড়ান্ত অনুমোদন নিশ্চিত করতে সম্প্রতি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায়। এতে স্থানান্তরের বিষয়টি জানতে পারে মন্ত্রণালয় এবং অধিদফতর। এ ঘটনায় গত জুনের মাসিক সমন্বয় সভায় উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জেলা শিক্ষা অফিসারের দায়িত্বে থাকা সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, ‘পায়রা বন্দরের জন্য জমি অধিগ্রহণ করতে গিয়ে দুই ইউনিয়নের ছয়টি বিদ্যালয় স্থানান্তর করা জরুরি ছিল। এটি প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প। জমি অধিগ্রহণ করতে গিয়ে বিদ্যালয়গুলো এলাকার মানুষদের কাছাকাছি স্থানে নেওয়া হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার প্রক্রিয়ায় ভুল করেছেন। সরেজমিন তদন্ত হলে এ নিয়ে সমস্যা হবে না।’

/এফএ/
সম্পর্কিত
ভিসির পদত্যাগ দাবি নীতি বহির্ভূত: বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ
ভিসির পদত্যাগ দাবি নীতি বহির্ভূত: বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ
আবারও আলোচনার প্রস্তাব ও অনশন প্রত্যাহারের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
আবারও আলোচনার প্রস্তাব ও অনশন প্রত্যাহারের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
স্কুল-কলেজের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা
স্কুল-কলেজের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা
হঠাৎ পরীক্ষা স্থগিত, নীলক্ষেত মোড় অবরোধ সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের
হঠাৎ পরীক্ষা স্থগিত, নীলক্ষেত মোড় অবরোধ সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
ভিসির পদত্যাগ দাবি নীতি বহির্ভূত: বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ
ভিসির পদত্যাগ দাবি নীতি বহির্ভূত: বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ
আবারও আলোচনার প্রস্তাব ও অনশন প্রত্যাহারের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
আবারও আলোচনার প্রস্তাব ও অনশন প্রত্যাহারের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
স্কুল-কলেজের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা
স্কুল-কলেজের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা
হঠাৎ পরীক্ষা স্থগিত, নীলক্ষেত মোড় অবরোধ সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের
হঠাৎ পরীক্ষা স্থগিত, নীলক্ষেত মোড় অবরোধ সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সশরীরে ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সশরীরে ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
© 2022 Bangla Tribune