নির্বাচনিসহ মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৩ অক্টোবর ২০২১, ২৩:২৪আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২১, ২৩:৩২

মাধ্যমিক পর্যায়ের ২০২১ সালের ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা এবং দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ‘নির্বাচনি পরীক্ষা’র (টেস্ট পরীক্ষা) সূচি প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর। নির্বাচনি পরীক্ষা আগামী ২৪ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নিতে হবে।

বুধবার (১৩ অক্টোবর) সূচি প্রকাশ করে নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করতে করতে বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ গণিত বিষয়ে পরীক্ষা নিতে হবে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের মান হবে ৫০ নম্বরের। প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষার সময় হবে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।

সিলেবাস

বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ গণিত বিষয়ের যেসব  অধ্যায় থেকে অ্যাসাইনমেন্ট  দেওয়া হয়েছে সেসব অধ্যায় এবং গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শ্রেণি কক্ষে যেসব অধ্যায়ের ওপর পাঠদান করা হয়েছে তা ষষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সিলেবাস।

বার্ষিক ও নির্বাচনি পরীক্ষার নম্বর বিন্যাস

১. বাংলা (১ম ও ২য় পত্র) বিষয়ের নম্বর হবে ৫০। এর মধ্যে লিখিত ৩৫, এমসিকিউ ১৫

২. ইংরেজি (১ম ও ২য় পত্র) বিষয়ের নম্বর হবে ৫০। ১ম পত্র ৩০ ও ২য় পত্র ২০।

৩. সাধারণ গণিত বিষয়ের নম্বর হবে ৫০।  লিখিত ৩৫ এবং এমসিকিউ ১৫।

৪ প্রত্যেক শিক্ষার্থীর বার্ষিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে চলমান সকল বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্টের ওপর ৪০ নম্বর যোগ করতে হবে।

৫. বার্ষিক পরীক্ষায় সপ্তম শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর আরও ১০ নম্বর যোগ করতে হবে।

ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার সঙ্গে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে তাদের কর্মতৎপরতা যুক্ত করে এই ১০ নম্বর যোগ করতে হবে।

৬. মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ৫০, অ্যাসাইনমেন্টে ৪০ এবং বৃক্ষরোপণে ১০ নম্বরের ওপর প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মূল্যায়ন করে বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল তৈরি করে শিক্ষার্থীদের প্রগ্রেসিভ রিপোর্ট দেওয়া হবে।

৭. ২০২১ শিক্ষাবর্ষে এ পরীক্ষা ছাড়া অন্য কোনও পরীক্ষা নেওয়া যাবে না।

৮. অবশ্যই যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বার্ষিক ও নির্বাচনি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হবে।

/এসএমএ/এমআর/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
আসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী