মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, নতুন কারিকুলামে সরকার মৌলিক পরিবর্তন নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। আমরা এখন চাচ্ছি একটি বাস্তবায়নযোগ্য কারিকুলাম, যা শিক্ষার্থীদের একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাহায্য করবে।
বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) বিকালে মুন্নী সাহার সঞ্চালনায় ‘কোভিডে শিক্ষার লাভ-ক্ষতি’ বিষয়ক বাংলা ট্রিবিউন বৈঠকিতে এ কথা বলেন তিনি।
মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, সরকার রোড ম্যাপ মূলত করে কারিকুলামের মাধ্যমে। সরকার এখন একটি কারিকুলাম করছে। এই কারিকুলামে আমরা ২০২২ সালে একটি পাইলটিং কাজ করবো এবং ২০২৩ সাল থেকে আমরা সেটি বাস্তবায়ন শুরু করবো। করোনার আগেই এই কারিকুলামের চিন্তা করা হয়েছিল। ফলে সেটি আমরা যখন বাস্তবায়ন করবো, তখন যে পদক্ষেপগুলো থাকবে সেটিকে একটি রোড ম্যাপ বলা যেতে পারে। এই কারিকুলামে সরকার একটি মৌলিক পরিবর্তন নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। এটি আবার একেবারে খুব বড় ধরনের পরিবর্তন যে তা নয়। আমরা এখন যেটা চাচ্ছি সেটি হচ্ছে একটি বাস্তবায়নযোগ্য কারিকুলাম, যেটি আমাদের শিক্ষার্থীদের একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাহায্য করবে।
তিনি আরও বলেন, এই কারিকুলামে মৌলিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একটা বড় সমস্যা হচ্ছে গ্রহণযোগ্যতা। অর্থাৎ আমাদের অংশীজনরা কতটা এটাকে গ্রহণ করবে। এছাড়া আমাদের যে রিসোর্স আছে সেটি দিয়ে কতটা বাস্তবায়ন করতে পারবো সেটিও একটি বিবেচনার বিষয়।
বৈঠকিতে আরও অংশ নেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরিন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তারেক রহমান, বাংলা ট্রিবিউনের সিনিয়র রিপোর্টার এস এম আব্বাস।
বৈঠকিটি সরাসরি সম্প্রচার করেছে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন নিউজ। পাশাপাশি বাংলা ট্রিবিউনের ফেসবুক ও হোমপেজে লাইভ প্রচার করা হয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) সহযোগিতায় বৈঠকিটি আয়োজিত হয়।









