X
রবিবার, ২৬ জুন ২০২২
১২ আষাঢ় ১৪২৯
এক্সক্লুসিভ

অভিমান নিয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে ব্রিটিশ রাজপ্রাসাদে পৌঁছানোর গল্প

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:০৫

ঢাকায় প্রায় দুই দশকের সংগীত ক্যারিয়ার। লিখে, সুর করে ও গেয়ে তৈরি করেছেন স্বতন্ত্র একটি অবস্থান। সফলতার কমতি না থাকলেও ছিলো হতাশা। যাকে বলা যায়, মনের কথাগুলো গানে গানে সঠিকভাবে বলতে না পারার জটিলতা। ছিলো গানের কপিরাইট-রয়্যালটি বাস্তবায়ন নিয়েও যুদ্ধ। সম্ভবত এসব বেদনা ভুলতে তার পরবাস জীবন বেছে নেওয়া। ২০১৬ সালে পাড়ি জমান যুক্তরাজ্যে। আগে থেকেই সেখানে ছিলেন অর্ধাঙ্গিনী স্মৃতি ফামি। সেখানে গিয়েও প্রথম চার বছর সঙ্গী ছিলেন সংগীতের। বানিয়েছেন গান, পড়েছেন মিউজিক নিয়ে। তবে ২০২০ সালে মহামারির বিশ্ব চোখ তুলে তাকালো এই সংগীতশিল্পীর দিকে। বনে গেলেন পুরোদস্তুর অভিনেতা! হুম, হলিউড অভিনেতা। নেটফ্লিক্স, ওয়ার্নার ব্রাদার্স, অ্যামাজন, সনির মতো আন্তর্জাতিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মের দারুণ সব সিনেমা ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করছেন নিয়মিত। অভিনয়ের সুবাদে যিনি সম্প্রতি যুক্ত হলেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের গল্পেও!  ব্রিটিশ অ্যাক্টর ও পারফর্মার হিসেবে এরমধ্যে এনলিস্টেড হয়েছেন। আর এসব বিষয়েই ‘বালিকা’-খ্যাত বাংলার সংগীতশিল্পী তথা ব্রিটিশ তরুণ অভিনেতা প্রীতম আহমেদের সঙ্গে কথা হলো বাংলা ট্রিবিউন-এর। 

বাংলা ট্রিবিউন: কেমন আছেন?

প্রীতম আহমেদ: পৃথিবী প্রায় উন্মুক্ত হওয়ার পথে হাঁটলেও আমি আটকে আছি কোয়ারেন্টিন আর কোভিড টেস্টের চক্করে! গত দেড় বছর ধরেই চলছে এভাবে। সর্বশেষ গতকাল (৯ সেপ্টেম্বর) ছাড়া পেলাম টানা ১৪ দিনের বন্দি জীবন থেকে। শুটিং ছিলো তিন দিনের। বাকি দিন কোয়ারেন্টিন আর টেস্ট। এরমধ্যে পর পর ৬ বার কোভিড টেস্ট করেছি। অথচ আমরা সবাই একই হোটেলেই ছিলাম।

বাংলা ট্রিবিউন: এটা কোন কাজের জন্য?

প্রীতম আহমেদ: সনি পিকচার্স প্রযোজিত শিশুদের জন্য একটা সিনেমা। বাজেট ৩৬ মিলিয়ন ডলার। সিনেমার মূল চরিত্রগুলোতে শিশুরাই, অভিভাবক হিসেবে এখানে আমিসহ অভিনয় করছেন অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড উইনার এমা স্টোন, এমা থমসনসহ অনেকে।

বাংলা ট্রিবিউন: ছবিটির নাম বা গল্পটা প্রসঙ্গে বলা যাবে? যদি কোনও বাধ্যবাধকতা না থাকে।

প্রীতম আহমেদ: ছবির নাম একদমই বলা যাবে না। ইনফ্যাক্ট ওদের বাইরে এসে কোনোকিছুই বলা যাবে না। দেশের মিডিয়া বলেই কিছু কিছু বলছি। এই ছবিটির প্রেক্ষাপট এমন, শিশুদের কল্পনা ও স্বপ্নের জগতকে মজবুত করতে হয় কঠিন বিষয়গুলোর বিনোদনমূলক উপস্থাপনার মাধ্যমে। তবেই শিশুটি বড় হয়ে দেশ গড়ায় নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারবে। আমরা আমাদের শিশুদের শুধু বাঁচার স্বপ্ন দেখাই, কিন্তু কী নিয়ে বাঁচবে, বেঁচে গেলে কি করবে সেসব কিছু বলি না। আমি জানি না, আমার দেশের শিশুদের জন্য শেষ কবে সিনেমা নির্মিত হয়েছিলো! আমরা এসব নিয়েই ভাবলামই না। 

ব্রিটিশ রাজপরিবার নিয়ে নেটফ্লিক্সের ‘দ্য ক্রাউন’ ছবিতে অভিনয় করলেও পোস্টারে নেই প্রীতম আহমেদ বাংলা ট্রিবিউন: দেশ নিয়ে আমরা হতাশার গল্পে না যাই। বরং ব্রিটিশ রাজপরিবারে আপনার যুক্ত হওয়ার গল্পটা শুনি।

প্রীতম আহমেদ: ব্রিটিশ রাজপরিবারের গল্প নিয়ে বিখ্যাত সিরিজ হচ্ছে ‘দ্য ক্রাউন’। এর একটি বিশেষ পর্বে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছি আমি। বিষয়টি উল্লেখযোগ্য তিনটি কারণে। প্রথমটি হলো ‘দ্য ক্রাউন’-এর মতো ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সিরিজে কাজ করা। দ্বিতীয়টি সনি পিকচার্সের মতো পৃথিবীর প্রথম শ্রেণির প্রযোজনা সংস্থার সাথে কোনও বাংলাদেশি শিল্পীর চুক্তিবদ্ধ হয়ে অভিনয় করা। এবং শেষটা হলো বাংলাদেশের পোশাক ও দেশের নামটি বিশ্বজুড়ে উপস্থাপন করার সুযোগ পাওয়া।

বাংলা ট্রিবিউন: ছবিটির শুটিং কি সরাসরি রাজপ্রাসাদেই হলো?

প্রীতম আহমেদ: তা হবে কেন! পুরো রাজপ্রাসাদই বানানো হয়েছে শুটিং সেটে। যা মুভিতে দেখে বোঝার উপায় থাকবে না, আসল না নকল!

বাংলা ট্রিবিউন: বিধিনিষেধের কারণে অনেক কিছুই হয় তো বলতে পারবেন না। কিন্তু একটু ধারণা তো দিতে পারেন- অন্য কাজগুলো প্রসঙ্গে।

প্রীতম আহমেদ: ঠিকই বলেছেন। এখানে এইসব বিষয়ে খুবই সিরিয়াস। কারণ আমাদের ওখানে তো কাজের চেয়ে সেলফি আর আগাম নিউজই বেশি বেশি হয়। বলতে দ্বিধা নেই, আমি নিজেও সেই প্র্যাকটিসের অংশ ছিলাম। বাট এখানে এসে দেখলাম পরিস্থিতি পুরো উল্টো। এখানে কাজটাই মুখ্য। যাইহোক, এখানে প্রথমত আমি ভিনদেশি। অভিনয়েও নতুন। মাত্র তো এক বছর হলো কাজ শুরু করলাম। তবে এই করোনাকালেও আমি যা করেছি বাংলাদেশি হিসেবে- সেটি অন্য আর কেউ করেছে বলে আমার জানা নেই। 

বাংলা ট্রিবিউন: কাজগুলোর নাম-পরিচয় বা ধরন বলা যাবে?

প্রীতম আহমেদ: তা বলা যাবে না। তবে এটুকু বলতে পারি, এরমধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য সিনেমায় আমার মুখ দেখা যাবে বিশ্ববরেণ্য অভিনেত্রী ক্লেইরি ফয়, এমা স্টোন, এলিজাবেথ ডেভিকি, জেমস বন্ড বা পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ানের স্যার জোনাথন প্রাইস, হ্যারিপটার-এর ইমেলডা স্টাটান, ডমেনিক ওয়েস্ট- এমন অভিনেতাদের সঙ্গে। আপাতত এটাই কম কি!

বাংলা ট্রিবিউন: এরা আসলেই বিশ্বখ্যাত অভিনেতা। অনুভূতি বা অভিজ্ঞতা কেমন এক সেটে কাজ করার?

প্রীতম আহমেদ: সাধারণভাবে দেখতে গেলে এদের মতো শিল্পী বা পরিচালকদের সেটে ছায়া হওয়াটাও সৌভাগ্যের বিষয়। সেখানে আমি চরিত্র রূপায়ণ করছি তাদের সঙ্গে, এটা আমার ব্যক্তিগত জীবনের শৈল্পিক অর্জন বলেই ধরে নিচ্ছি। কারণ, বিষয়টি এতো সহজ ও সরল ছিলো না।

‘দ্য ক্রাউন’ ছবিতে বাংলাদেশ অ্যাম্বাসির হাইকমিশনার হিসেবে এই গেটআপে আসছেন প্রীতম আহমেদ বাংলা ট্রিবিউন: যা বলছেন ধরে নেওয়া যাক সবই শতভাগ সত্যি। কিন্তু মূল সত্যিটা তো ভিজ্যুয়াল বা পোস্টার বা ট্রেলার বা প্রমোতে নিহিত। যেখানে আপনার মুখ দেখা যেতে পারে!

প্রীতম আহমেদ: মিথ্যে বলে তো আর আমি ঢালিউডের শাকিব খানের পদবিটা নিয়ে নিচ্ছি না! ফলে মিথ্যের কারণ নেই। সব ডকুমেন্টস আমার ড্রয়ারে আছে। সমস্যা একটাই এখানকার বিধিনিষেধ।

এবার কাজের কথায় আসি। গত এক বছরে সনি পিকচার্স, স্কাই টিভি, অ্যাপল টিভি, বিবিসি প্রোডাকশন, ওয়ার্নার ব্রাদার্স, অ্যামাজন ও নেটফ্লিক্স-এর মোট ৫টি সিনেমা এবং ৮টা সিরিজে কাজ করেছি। যার বোশিরভাগই প্রকাশ হতে থাকবে ২০২২ সাল থেকে। কিছু সিনেমায় অডিও প্রোডাকশনের কাজও করছি কিন্তু চুক্তির কারণে এখনই কোনও নাম বলতে পারছি না। 

আরেকটি কথা, এসব কাজের পোস্টারে আমার ছবি আশা করা আর আমাকে বিব্রত করা সমান কথা হবে। এরমধ্যে ‘দ্য ক্রাউন’-এর পোস্টার রিলিজ হয়েছে। আমার এক বন্ধু ঢাকা থেকে গালি দিয়ে বললো, তোর ছবি কই পোস্টারে? জবাবে বললাম, আমি কি প্রিন্স চার্লস! ফলে একটু সময় লাগবে। আমাকে সময় দিন। মনে রাখতে হবে, আমাদের কমিউনিটি (বাংলাদেশি) এখানে (যুক্তরাজ্য) রান্না ও রেস্টুরেন্ট-এর জন্য সমাদৃত। ফলে আমাকে যদি বাবুর্চি চরিত্রের বাইরে অন্য কোনও চরিত্রে অভিনয় করতে দেখেন, সেটাই আমার বড় অর্জন।

বাংলা ট্রিবিউন: একটু পেছনে যাওয়া দরকার। ২০১৬ সালে ঢাকা থেকে লন্ডন গিয়েছেন। ২০ সালে ঢুকে পড়লেন হলিউড প্রজেক্টে। ২১ সালের মধ্যে ১৫টি কাজ! কেমন করে সম্ভব?

প্রীতম আহমেদ: এক কথায় বললে- ভাগ্য। ভাগ্যই আমাকে এখানে টেনে এনেছে। এখন আমারা এটাই পেশা। অভিনয়। অথচ আমার শিরায় শিরায় বইছে মিউজিক। মিউজিকের জন্য আমি ঘর, প্রেম, দেশ- সব ছেড়েছি। দিনের পর দিন জীবননাশের হুমকি পেয়েছি। মামলায় জড়িয়েছি। নিজে দেশে এখন আমি যাযাবর। ঢাকায় গিয়ে থাকার ঘর খুঁজে পাই না। এরসবটাই মিউজিকের জন্য। সেই আমি এখন ফুলটাইম ব্রিটিশ অভিনেতা!

এবার আসি প্র্যাকটিক্যাল আলাপে। লন্ডনের মিডলসেক্স ইউনিভার্সিটিতে বিএ অনার্স পড়ছি এখন। আমার ইউনিভার্সিটির ফিল্ম ডিপার্টমেন্টের বন্ধুদের মাধ্যমেই ব্রিটিশ সিনেমার কাস্টিং ডিরেক্টরদের কাছাকাছি পৌঁছাতে পেরেছি। তারা আমার জন্য উপযুক্ত চরিত্রে অভিনয়ের অডিশনে ডাকেন। সেভাবেই নিয়মিত কাজ করছি। যদিও ইংল্যান্ড বা আমেরিকার সমাজের গল্পে আমার গায়ের রং বা চেহারার আকৃতির মানুষের তেমন কোনও ভূমিকা নেই, তাই চট করেই ইংরেজ সমাজের সিনেমায় লিডিং ক্যারেক্টার পাওয়ার আশাও করছি না। 

শুটিংয়ে সহশিল্পীর সঙ্গে প্রীতম বাংলা ট্রিবিউন: নেটফ্লিক্স হোক আর ব্রিটিশ রাজপ্রাসাদ; দেশটাকে মিস করেন না? এখানকার বিটিভি আর পাটুয়াটুলি থেকেই তো আপনার উত্থান! 

প্রীতম আহমেদ: আমি আজও মনে-প্রাণে বাঙালি। বাংলা ভাষা, সাহিত্য, শব্দচয়ন ও সুরচর্চার বাইরে আমার কোনও আরাধনা ছিলো না। ডাক্তারি বা ইঞ্জিনিয়ারিং না পড়ে সংগীত নিয়ে পড়ালেখা করেছি। গানের মান ও দর্শন নিয়ে এতোটাই সিরিয়াস ছিলাম, বিয়ে, গায়ে হলুদ বা ক্লাব-বারে হালকা গান গেয়ে সহজ পথে জনপ্রিয় হবার বাসনা করিনি কখনও। বছরের পর বছর সাহিত্য ও সংগীত চর্চা করে নিজেকে যতটা পেশাদার কাজের জন্য প্রস্তুত রেখেছি, ততোটা সুযোগ আমি দেশের মানুষের কাছ থেকে পাইনি। এটা অভিযোগ বা বিচার নয়, অভিমান। 

আমার সোনার বাংলায় বছরে যে কয়টা সিনেমা হয় ঐসব গানের কাজ চাচা-ভাতিজা সম্পর্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। জীবনের যে সময়টা এভাবে চলে গেছে সেটা নিয়ে আর আফসোস করতে চাই না। এখানে এখন আমি কত বড় বড় কাজ করছি সেটা বড় কথা নয়, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিল্পী ও পরিচালকদের সাথে সময় কাটাতে পারছি, শিখতে পারছি- সেটাই আমার আত্মতৃপ্তি। দেশেও আমি এই শিল্পের খোঁজটাই করেছি, পাইনি তার কানাকড়ি। 

বাংলা ট্রিবিউন: অভিনয় করতে করতে, বিশ্ব তারকাদের ছায়াতলে থেকে থেকে- নিজ সংগীতটাকে এড়িয়ে যাচ্ছেন না তো! বলছি, সংগীতের প্রীতম আহমেদ হারিয়ে যাচ্ছে না তো?

প্রীতম আহমেদ: আমার যেসব বন্ধুরা বড় বড় ওপেন এয়ার কনসার্ট থেকে আমার নাম কেটে দিয়েছিলো, বিভিন্ন সিনেমার পরিচালককে আমার সম্পর্কে ভুলভাল বলে ফিরিয়ে নিয়েছে- তাদের এখন খুব মিস করি আমি। আর যাইহোক, দিনশেষে তো ওরা আমার আড্ডাতেই আসতো, না হয় আমি যেতাম। দেখা হতো, কথা হতো- এখন সেটা হয় না। আমি সংগীতকেন্দ্রিক সেই যন্ত্রণাগুলো এখন মুছে ফেলেছি। কিন্তু সংগীতটাকে রেখে দিয়েছি পরম মমতায়।

এখানে (লন্ডন) সংগীতে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা নিচ্ছি, যেন একটা সময় পৃথিবীর যে কোনও কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর যোগ্যতা অর্জন করি। নিজেকে এতটাই যোগ্য করে তুলতে চাই, যাতে সংগীতের আর কোনও ক্ষুদ্র প্রতিযোগীদের সাথে লড়াই করতে না হয়। আন্তর্জাতিক সংগীতে আমার সংগীত ভাবনা ও গবেষণার প্রতিধ্বনি দিতে চাই।   

অন্য এক শুটিংয়ে সহশিল্পীদের সঙ্গে প্রীতম বাংলা ট্রিবিউন: শেষ করা যাক সামনের পরিকল্পনা নিয়ে।

প্রীতম আহমেদ: অভিনয় এখন আমার মূল পেশা। তবে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় রয়েছে মিউজিকই। আমি চাই ব্রিটেনের কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইস্ট-ওয়েস্ট মিউজিকের ফিউশন বিষয়ে শিক্ষকতা করার। এই লক্ষ্যে  পড়াশোনা করছি। এরমধ্যে সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সও শেষ করেছি। আর প্রায় প্রতিদিনই একটু একটু একটু করে গান বাঁধছি। যা নিয়মিতভাবেই প্রকাশ হচ্ছে এবং হবে আমার ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজে। সম্প্রতি ৮০’র দশকের গেটআপে সহশিল্পীর সঙ্গে প্রীতম আহমেদ

/এমএম/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
বাংলাদেশের দারুণ শুরুর পর বৃষ্টির বাগড়া
বাংলাদেশের দারুণ শুরুর পর বৃষ্টির বাগড়া
স্বামী হত্যার বিচার চেয়ে সংসদে কাঁদলেন এমপি নাজমা
স্বামী হত্যার বিচার চেয়ে সংসদে কাঁদলেন এমপি নাজমা
ধানের শীষে ভোট করে বিএনপির সমালোচনা সুলতান মনসুরের
ধানের শীষে ভোট করে বিএনপির সমালোচনা সুলতান মনসুরের
পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত ২
পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত ২
এ বিভাগের সর্বশেষ
ভালুকের তাড়া খেয়ে বেহাল রণবীর (ভিডিও)
ভালুকের তাড়া খেয়ে বেহাল রণবীর (ভিডিও)
নেটফ্লিক্সে জেলেনস্কির ‘সার্ভেন্ট অব দ্য পিপল’
নেটফ্লিক্সে জেলেনস্কির ‘সার্ভেন্ট অব দ্য পিপল’
ভারতে মাধুরীর নতুন রেকর্ড, বাংলাদেশসহ ১৬ দেশে শীর্ষ দশে
ভারতে মাধুরীর নতুন রেকর্ড, বাংলাদেশসহ ১৬ দেশে শীর্ষ দশে
জানুয়ারিতে নেটফ্লিক্স মাতাচ্ছে যারা
জানুয়ারিতে নেটফ্লিক্স মাতাচ্ছে যারা
নেটফ্লিক্সে নতুন: বাছাই করা জানুয়ারির ছয়
নেটফ্লিক্সে নতুন: বাছাই করা জানুয়ারির ছয়