কিংবদন্তি অভিনেতা, প্রযোজক, নির্মাতা সোহেল রানা। তার একমাত্র পুত্র মাশরুর পারভেজ ওরফে ইউল রাইয়ান। পিতার পথ ধরে পুত্রও নিজেকে জড়িয়েছেন রুপালি অধ্যায়ে, নির্মাণে-অভিনয়ে। এ যাত্রায় তার অভিষেক হয়েছিল বেশ আগে, ২০১৭ সালের ১১ আগস্ট। এদিন মুক্তি পেয়েছিল তার প্রথম নির্মাণ ‘রাইয়ান’। তাতে পুত্রের পরিচালনায় অভিনয় করেছিলেন সোহেল রানাও।
টানা ৬ বছর পর ফের দ্বিতীয় সিনেমা নিয়ে হাজির হচ্ছেন মাশরুর পারভেজ। এবারও যথারীতি ক্যামেরার পেছনে পুত্র আর সামনে পিতা সোহেল রানা। সিনেমার নাম ‘গোয়িং হোম’। ঈদের পরই (জুলাই) এই ছবিটি দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির প্রস্তুতি নিয়েছেন মাশরুর পারভেজ। বাংলা ট্রিবিউনকে এমনটাই জানান তিনি।
বলেন, ‘মাঝে আব্বু-আম্মু অসুস্থ ছিলেন। সেটা নিয়ে আমাদের অনেক ধকল গেছে। এখন আল্লাহর রহমতে দুজনেই ভালো আছেন। সেজন্যই চাইছি ছবিটি মুক্তি দিতে। ঈদে চাইলেও সম্ভব নয়। কারণ, হল নিয়ে মারামারি পরিস্থিতি হবে। আমার ইচ্ছা ঈদের দুই সপ্তাহ পর, জুলাইয়ের ১৪ তারিখের পর ছবিটি মুক্তি দিতে। আগস্টে যাবো না।’
ছবিটির মুক্তি পরিকল্পনা এবং এটি নির্মাণের গল্প জানাতে রাইয়ান একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করছেন ১৯ জুন। এদিন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে বসে ছবিটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবেন কিংবদন্তি পুত্র। সঙ্গে থাকছেন সোহেল রানাও।
সিনেমাটির অন্যতম চরিত্রে অভিনয় করেছেন সোহেল রানা। অভিনয় করেছেন নির্মাতা নিজেও। আরও আছেন নুসরাত জাহান জেরি, ফাহিম ফারুক প্রমুখ।
মাশরুর পারভেজ বলেন, ‘সিনেমা নির্মাণে অভিনয়শিল্পীর ব্যাপারে আমি খ্যাতিকে প্রাধান্য দিই না। গল্পের মারপ্যাঁচেই চরিত্রের জন্ম হয়। তাই পুরো স্ক্রিপ্ট হয়ে গেলে বিবেচনা করি কে কোন চরিত্রে ভালো করবে। সেই হিসেবে এবারও আমার বাবা সোহেল রানাকে নিতে হয়েছে। তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। আপনারা তাকে একটি অন্য রকম চরিত্রে দেখতে পাবেন।’
‘গোয়িং হোম’ ছবির গল্পটা এমন, একজন মানুষ রাতের বেলায় সানগ্লাস পরে বাড়ি ফিরছিল। ফিরতি পথে ঘটে যায় নানান ঘটনা। যে ঘটনার সঙ্গে উঠে আসে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাও।
নির্মাতা জানান, ‘গোয়িং হোম’ বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কোনও চলচ্চিত্র, যা যুক্তরাজ্যের বিশ্বখ্যাত দ্য ওটু প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর। অংশ নিয়েছে বেশ ক’টি চলচ্চিত্র উৎসবেও।
ট্রেলার:





