‘ন ডরাই’ খ্যাত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নির্মাতা তানিম রহমান অংশু দীর্ঘ বিরতির পর নতুন পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিটির ফার্স্ট লুক পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই এটি নিয়ে দর্শকদের মাঝে ব্যাপক কৌতুহল তৈরি হয়েছে। এবার ছবিটির প্রেক্ষাপট, জনরা এবং নির্মাণ পরিকল্পনা নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালক নিজেই।
পোস্টারে দেখা যায়, স্পেসশিপের জানালা থেকে হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন একজন নারী, অন্যদিকে মহাকাশে ভাসমান একটি পুরুষ হাত তা ধরতে চাইছেন।
অংশু জানান, তাঁর নতুন এই সিনেমার নাম ‘লিম্বো’, যা হতে যাচ্ছে একটি স্পেস ড্রামা এবং কসমিক রোমান্সের গল্প। এ ধরনের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে এর আগে কখনো দেখা যায়নি। বিশেষ করে এর ভিজ্যুয়াল এফেক্টস (VFX) এবং গল্পের গভীরতা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে সম্পূর্ণ প্রথম বা অনন্য এক অভিজ্ঞতা হতে চলেছে।
বিশাল ক্যানভাসের এই সিনেমাটি আন্তর্জাতিক মানের করে তোলার জন্য তিনটি ভিন্ন দেশে এর শুটিং করার পরিকল্পনা করছেন এই নির্মাতা। আগামী আগস্ট মাস থেকেই সিনেমার সম্ভাব্য কলাকুশলীদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও চুক্তি প্রক্রিয়া শুরু করার আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। এছাড়া বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে সিনেমাটি মুক্তির আগেই বিশ্বমঞ্চের বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসবে এটি প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
দীর্ঘদিন পর চলচ্চিত্র নির্মাণে ফেরা প্রসঙ্গে তানিম রহমান অংশু বলেন, “গত ৬-৭ বছরে বেশ কয়েকটি ছবি আমার পরিকল্পনার অধীনে ছিল। কিন্তু আমি এমন কিছু খুঁজছিলাম যা হবে বেশ চ্যালেঞ্জিং এবং যার গল্প এর আগে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চিত্রায়িত হবে। কারণ আমি সবসময় নতুন ধারা বা নতুন জনরা তৈরি করতে পছন্দ করি।”
সিনেমাটির নির্মাণ প্রক্রিয়া যে সহজ নয়, তা স্বীকার করে তিনি আরও বলেন, “আমার মনে হয় ‘লিম্বো’ খুবই চ্যালেঞ্জিং একটি প্রজেক্ট। বাংলাদেশে এটি নির্মাণ করা অসম্ভব মনে হলেও একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে আমি এই চ্যালেঞ্জটিকেই বেছে নিয়েছি।”
উল্লেখ্য, এর আগে ‘লিম্বো’র পোস্টার শেয়ার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অংশু লিখেছিলেন, 'দূরত্ব যত আলোকবর্ষেরই হোক না কেন, চেনা অনুভূতির টান কখনও ফুরায় না। শূন্য আর পূর্ণতার মাঝখানের যে সীমানা, সেখানে হারিয়ে যাওয়া আর ফিরে পাওয়ার গল্পরা এক হয়ে যায়।' ভিন্নধর্মী এই স্পেস ড্রামাটি ২০২৭ সালে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
পোস্টারে দেখা যায়, স্পেসশিপের জানালা থেকে হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন একজন নারী, অন্যদিকে মহাকাশে ভাসমান একটি পুরুষ হাত তা ধরতে চাইছেন।
অংশু জানান, তাঁর নতুন এই সিনেমার নাম ‘লিম্বো’, যা হতে যাচ্ছে একটি স্পেস ড্রামা এবং কসমিক রোমান্সের গল্প। এ ধরনের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে এর আগে কখনো দেখা যায়নি। বিশেষ করে এর ভিজ্যুয়াল এফেক্টস (VFX) এবং গল্পের গভীরতা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে সম্পূর্ণ প্রথম বা অনন্য এক অভিজ্ঞতা হতে চলেছে।
বিশাল ক্যানভাসের এই সিনেমাটি আন্তর্জাতিক মানের করে তোলার জন্য তিনটি ভিন্ন দেশে এর শুটিং করার পরিকল্পনা করছেন এই নির্মাতা। আগামী আগস্ট মাস থেকেই সিনেমার সম্ভাব্য কলাকুশলীদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও চুক্তি প্রক্রিয়া শুরু করার আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। এছাড়া বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে সিনেমাটি মুক্তির আগেই বিশ্বমঞ্চের বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসবে এটি প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
দীর্ঘদিন পর চলচ্চিত্র নির্মাণে ফেরা প্রসঙ্গে তানিম রহমান অংশু বলেন, “গত ৬-৭ বছরে বেশ কয়েকটি ছবি আমার পরিকল্পনার অধীনে ছিল। কিন্তু আমি এমন কিছু খুঁজছিলাম যা হবে বেশ চ্যালেঞ্জিং এবং যার গল্প এর আগে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চিত্রায়িত হবে। কারণ আমি সবসময় নতুন ধারা বা নতুন জনরা তৈরি করতে পছন্দ করি।”
সিনেমাটির নির্মাণ প্রক্রিয়া যে সহজ নয়, তা স্বীকার করে তিনি আরও বলেন, “আমার মনে হয় ‘লিম্বো’ খুবই চ্যালেঞ্জিং একটি প্রজেক্ট। বাংলাদেশে এটি নির্মাণ করা অসম্ভব মনে হলেও একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে আমি এই চ্যালেঞ্জটিকেই বেছে নিয়েছি।”
উল্লেখ্য, এর আগে ‘লিম্বো’র পোস্টার শেয়ার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অংশু লিখেছিলেন, 'দূরত্ব যত আলোকবর্ষেরই হোক না কেন, চেনা অনুভূতির টান কখনও ফুরায় না। শূন্য আর পূর্ণতার মাঝখানের যে সীমানা, সেখানে হারিয়ে যাওয়া আর ফিরে পাওয়ার গল্পরা এক হয়ে যায়।' ভিন্নধর্মী এই স্পেস ড্রামাটি ২০২৭ সালে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।





