পূজা ভাট পরিচালিত ২০১২ সালের ইরোটিক থ্রিলার ‘জিসম-২’ দিয়ে বলিউডে অভিষেক করেন সানি লিওন। এটি ছিল ২০০৩ সালের ‘জিসম’ ছবির সিক্যুয়েল। মূল ছবিতে অভিনয় করেছিলেন বিপাশা বসু ও জন আব্রাহাম।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে পূজা ভাটের বাবা ও বর্ষীয়ান নির্মাতা মহেশ ভাট স্মরণ করেন, কীভাবে শেষ পর্যন্ত তারা ‘জিসম-২’ সিনেমায় সানি লিওনকে কাস্ট করেছিলেন।
তিনি বলেন, ‘‘সানিকে কাস্ট করা কোনও পরিকল্পিত সাহসী সিদ্ধান্ত ছিল না; বরং এটি ছিল একটি ‘দুর্ঘটনা’ বা ‘কাকতালীয় ঘটনা’।
তার ভাষ্য, ‘‘সেই সময়েই কালার্স টিভি তাদের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো বিগ বস ৫-এ সানি লিওনকে ওয়াইল্ড কার্ড প্রতিযোগী হিসেবে নিয়ে আসে। এ নিয়ে অনেক সমালোচনা হচ্ছিলো। প্রাপ্তবয়স্কদের চলচ্চিত্রের এক তারকাকে এমন একটি অনুষ্ঠানে নেওয়ার কারণেই সমালোচনা বেড়ে যায়।’’
তিনি জানান, সে সময় তার বন্ধু রাজ নায়ক, সানি লিওনকে তার কোনও ছবিতে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
মহেশ সানিকে নিয়ে কিছুটা চিন্তিত ছিলেন বলেও জানান। কারণ মুম্বাইয়ে তাদের অফিসের বাইরে এবং শুটিং লোকেশনে বিক্ষোভ হতে পারে এমন আশঙ্কা ছিল তার।
‘জিসম-২’ বক্স অফিসে সফল হলেও, সানিকে কাস্ট করার ফলে যে বিশাল প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা পূরণ করতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন এই নির্মাতা।
মহেশ বলেন, “আমাদের সমাজে একটা ভণ্ডামি আছে। একজন পরিবেশক ছবিটি অনেক বেশি দামে কিনে নিলেন। আমি তাকে বলেছিলাম, ‘হয় আপনি বোকা, নয়তো ছবিতে এমন কিছু আছে যা আমি দেখতে পাচ্ছি না। কারণ এমন একটি ছবির জন্য এত টাকা কেন দেবেন? আপনি তো ছবিটাও দেখেননি।”
তিনি আরও বলেন, ‘‘লোকটি উত্তর দিয়েছিল, ‘ভারতে গুগলে সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয় এমন নারী তিনি। ছবি যেমনই হোক, তার জনপ্রিয়তাই সব বলে দেয়।”
মহেশের মতে, বক্স অফিসে এই ছবির প্রত্যাশার তুলনায় কম সাফল্যের পেছনে এই ‘ভণ্ডামি’ই দায়ী।

জন্মদিনে ফোন করে সিনেমার প্রস্তাব শাকিবের, ববিতা চাইলেন ‘চ্যালেঞ্জিং গল্প’






