সৌন্দর্যের সঙ্গে আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব আর প্রতিভার সমন্বয়, এই লক্ষ্যেই জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘মিস অ্যান্ড মিসেস এলিগেন্স বাংলাদেশ’-এর সিজন টু-এর অডিশন রাউন্ড। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণে মুখর হয়ে ওঠে আয়োজনস্থল।
আলো ঝলমলে মঞ্চ, র্যাম্প ওয়াক আর ফ্যাশন উপস্থাপনায় জমে ওঠে ‘মিস অ্যান্ড মিসেস এলিগেন্স বাংলাদেশ সিজন ২’।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শতাধিক প্রতিযোগীর মধ্য থেকে প্রাথমিক বাছাইয়ে মিস ও মিসেস দুই ক্যাটাগরিতে প্রায় ৫০ জনকে নির্বাচিত করা হয়। আয়োজকদের মতে সেরা নির্বাচিত প্রতিযোগিকে দেশের গন্ডি পেরিয়ে মিস আর্থ ২০২৬-এ অংশ নিতে ফিলিপাইনে পাঠানো হবে।
বাছাই পর্বে শুধু সৌন্দর্য নয়, প্রতিযোগীদের আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব, প্রতিভা ও উপস্থাপনা দক্ষতাকেও দেওয়া হয় বিশেষ গুরুত্ব।
অনুষ্ঠানে বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা জয় চৌধুরী, নৃত্যশিল্পী ইভান শাহরিয়ার সোহাগ, অভিনেত্রী মেহবুবা মাহনূর চাঁদনী, ‘মিস অ্যান্ড মিসেস এলিগেন্স বাংলাদেশ’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর মলি আক্তার। এছাড়া ব্র্যান্ড প্রোমোটার ও এলিগেন্স স্টার বারিশা হক এবং বুশরা কবিরসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের কুইনরাও বিচার কার্যক্রমে অংশ নেন।
বোর্ড অব ডিরেক্টরের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইভান শাহরিয়ার সোহাগ, মাজহার ও ইবনে সাঈদ অঙ্কুরসহ সংশ্লিষ্টরা।
আয়োজকদের দাবি, শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্য নয় নারীর আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বের গুণ, ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক সচেতনতাকে সামনে আনাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
জাঁকজমকপূর্ণ এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো ‘মিস অ্যান্ড মিসেস এলিগেন্স বাংলাদেশ’-এর সিজন ২-এর নতুন অধ্যায়। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই মঞ্চ থেকেই উঠে আসবে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের আত্মবিশ্বাসী ও প্রতিভাবান নারীরা।

কৃতির পোশাক বিতর্ক, এবার কঙ্গনাকে রাহুল গান্ধীর কড়া জবাব


