স্বাধীনতার মাসে শুরু হলো ‘স্বাধীনতা সংগীত উৎসব’। মুজিব জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) থেকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হয়েছে তিন দিনের এই জাঁকালো আয়োজন। এই উৎসবের আয়োজন করেছে ‘বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ’।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় শিল্পকলা একাডেমির নন্দন মঞ্চে আলোচনা ও উদ্বোধনী সংগীতের মধ্য দিয়ে উৎসব উদ্বোধন করা হয়।
এতে উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করে রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা। পরপর তিনটি গান পরিবেশন করেন সংস্থার শিল্পীরা। পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংগীত পরিচালনায় এর নেতৃত্বে ছিলেন রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী আমিনা আহমেদ।
উদ্বোধনী গানের পর তারা ‘জয় জয় রে’ ও ‘তুমি যে সুরের আগুন লাগিয়ে দিলে মোর প্রাণে’ গান দুটি পরিবেশন করেন। এর কিছুক্ষণ পর সংগীত ভবনের হয়েও তিনটি সম্মেলক গান পরিবেশন করেন আমিনা আহমেদ। সংগীত ভবনের গানের নেতৃত্বে ছিলেন মাহমুদ সেলিম।
এর আগে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব আবুল মনসুর।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি মনে করিয়ে দেন, বাঙালির স্বাধীনতার বড় অংশজুড়ে আছে মার্চ মাস। মহান একাত্তরের ২ মার্চ পতাকা উত্তোলন, ৭ মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ, ২৫ মার্চ কালরাত্রির পর ২৬ মার্চ আসে স্বাধীনতার ঘোষণা। আর এ মাসেই আয়োজন করা হয়েছে ‘স্বাধীনতা সংগীত উৎসব’।
আবুল মনসুর বলেন, ‘এমন একটি মাসে এমন আয়োজন সবচেয়ে উপযুক্ত। যথাসময়ে অনুষ্ঠান হচ্ছে। এ কারণে আমি আয়োজকসহ সবাইকে সাধুবাদ জানাই।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সহ-সভাপতি ও নজরুলসংগীত শিল্পী সুজিত মোস্তফা। এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আয়োজক সংগঠনের সহ-সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র শীল, স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক ড. বিশ্বজিৎ রায়। আর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাহমুদ সেলিম।
সাংস্কৃতিক পর্বে প্রথম দিনের আয়োজনে অংশ নেয় রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা, বাংলাদেশ একাডেমি অব ফাইন আর্টস, গানের খেয়া, সংগীত ভবন, নজরুলসংগীত শিল্পী পরিষদ, মরমী লোকগীতি শিল্পী গোষ্ঠী ও বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী। আগামীকাল শুক্রবার ও পরশু শনিবার একই স্থানে একই সময়ে পরবর্তী আয়োজনগুলো অনুষ্ঠিত হবে।








