চার ইসরায়েলি হত্যার প্রতিক্রিয়ায় ৮৩ হাজার ফিলিস্তিনি নাগরিকের ইসরায়েল প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বুধবার মধ্য তেল আবিবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সেনা সদর সফতর সংলগ্ন এলাকায় বন্দুক হামলা চালিয়ে ওই চারজনকে হত্যা করা হয়। হামলায় আহত হয়েছেন আরও ছয় জন। আহতদের জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ইসরায়েলের দাবি, পশ্চিম তীরের হেবরন শহরের ইত্তা গ্রাম থেকে এসে দুই ফিলিস্তিনি বন্দুকধারী এই হামলা চালিয়েছে। তবে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এরইমধ্যে 'দুই হামলাকারী'কে আটকের পর হেফাজতে নেওয়ার কথা জানিয়েছে তেল আবিব কর্তৃপক্ষ। হামলাস্থলে নিজেও আহত হওয়ায় এদের একজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এখনও কেউ হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে হামাস এই হামলাকে বীরত্বপূর্ণ আখ্যা দিয়ে হামলাকারীদের অভিনন্দিত করেছে।
প্রতিক্রিয়ায় ৮৩ হাজার ফিলিস্তিনির প্রবেশের অনুমতি স্থগিতের ঘোষণা দেয় ইসরায়েল।পরে অবশ্য তারা খানিকটা নমনীয় হন। ইসরায়েল পরে জানায়, নিষেধাজ্ঞা হবে শর্তসাপেক্ষ। পশ্চিমতীর ও গাজা উপত্যকায় পরিজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের অপেক্ষায় থাকা ফিলিস্তিনিদের রমজান মাসে জেরুজালেম মসজিদে রমজানের নামাজ পড়তে দেওয়া হবে। পাশাপাশি তেল আবিব বিমানবন্দর হয়ে ভ্রমণের সুযোগও পাবেন তারা।
তবে নিষেধাজ্ঞার কারণে ফিলিস্তিনিদের জন্য ইয়াত্তায় প্রবেশ এবং নির্গমন দুইই নিষিদ্ধ থাকে। তবে শুধুমাত্র মানবিক কারণে বা মেডিক্যাল ইমারজেন্সি হলেই গ্রামগুলোতে যেতে পারবেন তারা।
এদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের দেওয়া খবর অনুযায়ী, সেনাবাহিনী হামলাকারীদের একটি বাড়ি খুঁজে পেয়েছে, যেখানে আরও কোন হামলার প্রস্তুতি চলছিলো।
অক্টোবরের পর থেকে বুধবারের হামলাটিও ছিল প্রথম ভয়াবহতম হামলা। অক্টোবরের সেই হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ৩৩ ইসরায়েলি। আর নির্দিষ্ট ওই সময়ের মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ২০০ ফিলিস্তিনি। ইসরায়েলের দাবি, তারা অধিকাংশই হামলাকারী। সূত্র: বিবিসি
/ইউআর/বিএ/








