জঙ্গি সংগঠন আইএসের সদস্যদের সঙ্গে তুমুল লড়াইয়ের পর লিবিয়ার সিরতে শহরের বন্দরটি পুনর্দখলের দাবি করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি খবরটি নিশ্চিত করেছে।
ইরাক ও সিরিয়ার বাইরে লিবিয়ার সিরতে শহরটি আইএসের শক্ত ঘাঁটি বলে বিবেচিত। সিরতে লিবিয়ার সাবেক স্বৈরশাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির জন্মশহরও। গত মাসে জাতিসংঘ সমর্থিত ত্রিপোলির মতৈক্যের সরকার আইএসের কাছ থেকে শহরটির নিয়ন্ত্রণ নিতে অভিযান শুরু করে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে আইএস ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান হামলা শুরু হয়। একইসঙ্গে নৌবাহিনী সিরতের বন্দরের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে থাকে। আইএসের বিরুদ্ধে সে অভিযান অব্যাহত আছে।
শুক্রবার ওগাদৌগৌ সম্মেলন কেন্দ্রকে ঘিরে দু পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এক সময় এ সম্মেলন কেন্দ্রটি আন্তর্জাতিক শীর্ষ সম্মেলনের ভেন্যু হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পরে তা নিজেদের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করে আইএস। শুক্রবার সরকারি বাহিনী সম্মেলন কেন্দ্রটি লক্ষ্য করে গোলা-বারুদ ছুড়ে। আইএস সদস্যরাও মর্টার ছুড়তে থাকে। সরকারি বাহিনীর দাবি, ওই সংঘর্ষে দুই সেনা সদস্য নিহত এবং আট সেনা সদস্য আহত হয়েছেন।
লিবিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর মুখপাত্র জেনারেল মোহাম্মদ আল ঘুসরি জানান, ব্যাপক অভিযান শুরু হওয়ার পর আইএস নেতারা দক্ষিণের মরুভূমির দিকে সরে গেছেন। তবে এখনও অনেক আইএস সদস্য শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থান করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, দুই মাস আগে ত্রিপোলিতে মতৈক্যের সরকার গঠিত হয়। সূত্র: বিবিসি
/এফইউ/








