বন্দুক, ছুরি, ইনফ্রারেড ক্যামেরা, পিপার স্প্রে এবং হাতকড়াসহ যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (হোমল্যান্ড সিকিউরিটি)-এর সদর দফতরে সন্দেহজনকভাবে প্রবেশকারী এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। ওই ব্যক্তি হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন কিনা তা নিয়ে প্রাদেশিক প্রসিকিউটররা তদন্ত চালাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নির কার্যালয়ের মুখপাত্র বিল মিলার।
গত ৯ জুন স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ওয়াশিংটনে অবস্থিত হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সদর দফতরে প্রবেশ করেন জোনাথন উইনকি নামের ওই ব্যক্তি। সেখানেই বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করেন জোনাথন। ব্যাপক নিরাপত্তাবিশিষ্ট হোমল্যান্ড সিকিউরিটিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি নিরাপত্তা ধাপ পার হতে হয়। এর একটি হলো দরজায় স্ক্রিনিং করানো। ঘটনার দিন জোনাথনের ব্যাগ স্ক্রিনিং করানো হলে সেখান থেকে অন্যান্য জিনিসের পাশাপাশি একটি ফোল্ডিং ছুরি, পিপার স্প্রে, ইনফ্রারেড ক্যামেরা এবং বেশ কয়েকটি হাতকড়া উদ্ধার হয়। পরে তল্লািশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ৫টি শট রিভলভার উদ্ধার করা হয়।
বিল মিলপার জানান, লাইসেন্স ছাড়া পিস্তল বহনের অভিযোগে উইনকিকে ১০ জুন অভিযুক্ত করা হয়। আদালতের প্রক্রিয়াগুলোকে স্থগিত করে ১৩ জুন তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। মামলাটি এখন তদন্তের আওতায় রয়েছে বলে এক ইমেইলে জানিয়েছেন মিলার।
আদালতে প্রাদশিক সরকারের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া কাগজপত্রে বলা হয়, জোনাথন উইনকি কর্মস্থলে সহিংসতা চালাতে আকেজনের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আরও সুনির্দিষ্ট করে বলথে গেলে বলা যায়, জোনাথন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ভবনে অবস্থিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
/এফইউ/








