গণভোটের রায় ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকার বিপক্ষে যাওয়ার পর এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন; যিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। ‘রিমেইন’ পক্ষের আরেক প্রচারক লেবার নেতা জেরেমি করবিনও নীরব রয়েছেন। যদিও ‘লিভ পক্ষ’ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছেদের রায়কে স্বাগত জানানো হয়েছে। কেউ কেউ একে ব্রিটিশদের স্বাধীনতা দিবস বলতেও ছাড়েননি।
বৃহস্পতিবার ক্যামেরন আর তার স্ত্রীকে একটি পোলিং স্টেশনে ভোট দিতে দেখা যায়। এরপর থেকেই আর তার দেখা মেলেনি। এমনকী সামাজিক মাধ্যমেও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি তার। ‘রিমেইন’ পক্ষের ভোটাররা তাই টুইটারে প্রশ্ন রেখেছেন, ‘কোথায় ক্যামেরন’।
উল্লেখ্য, ইইউ’র পক্ষে থাকা প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনেরও পদত্যাগ দাবি করছেন অনেকেই। ছায়া সংসদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি বেন এই গণভোটের জন্য ক্যামেরনকে দায়ী করে বলেছেন, “সেই এ গণভোটের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেই গণভোটে পরাজিত হওয়ার পর তার দায়িত্বে থাকাটা আমাকে অবাক করবে।” তবে কনজারভেটিব পার্টির ৮৪জন এমপি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে ‘ইইউ থেকে যুক্তরাজ্য বের হয়ে গেলেও’ তাকেই প্রধানমন্ত্রী থাকার অনুরোধ করেছেন।
এদিকে জেরেমি করবিনকে নিয়েও টুইটারে একই ধরনের পোস্ট লক্ষ্য করা গেছে। একজন প্রশ্ন তুলেছেন তিনি পালিয়ে গেছেন কিনা।
উল্লেখ্য, বেশিরভাগ বামপন্থী ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বের হয়ে আসার পক্ষে থাকলেও করবিন ছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নে থেকে যাওয়ার পক্ষে। শ্রমিক শ্রেণীর আন্তর্জাতিক লড়াইকে বেগবান করার কথা বলে ‘শর্তসাপেক্ষ’ এই সমর্থন দিয়েছিলেন তিনি।
সূত্র: ডেইলি মেইল
/বিএ/








