ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জোড়া বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ২৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। ওই হামলায় আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। এ নিয়ে বাগদাদে চলতি মাসে বড় ধরনের তৃতীয় হামলা চালানো হলো। ২০০৩ সালের পর থেকে এটাই ইরাকে সবচেয়ে বড় হামলার ঘটনা। বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্ট।
৩ জুলাই ২০১৬ রবিবার চালানো হামলা দুটির প্রথমটি ছিল আত্মঘাতী গাড়িবোমা হামলা। প্রথম হামলাটি চালানো হয় বাগদাদের কেন্দ্রীয় এলাকা কারাদার শপিং মল সংলগ্ন একটি ব্যস্ত এলাকায়। দ্বিতীয় হামলাটি চালানো হয় বাগদাদের উত্তরাঞ্চলে একটি শিয়া এলাকার আল শাব নামের একটি বাজারে। এ দুই হামলায় নিহত হন অন্তত ২৫০ জন।
ইন্টারনেটে আইএসের সমর্থকদের প্রচার করা একটি বিবৃতিতে কারাদার চালানো হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএস। আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।
রেস্তোরাঁটিতে ভোররাতে সাহির খাওয়ার ব্যস্ত সময়ে গাড়িবোমাটির বিস্ফোরণ ঘটায় আত্মঘাতী। এতে প্রধান সড়কে বড় ধরনের একটি আগুনের কুণ্ডুলি তৈরি হয়।
ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনী আইএস জঙ্গিদের দখল থেকে ফালুজা শহর পুনরুদ্ধার করার এক সপ্তাহ পর এ হামলা দুটি হলো। ফালুজার ঘাঁটি থেকে আইএস জঙ্গিরা বাগদাদে বোমা হামলা চালায় বলে জানিয়েছিল ইরাকি কর্তৃপক্ষ।
ইরাক ও সিরিয়ায় সরকারি বাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত বিদ্রোহীদের অভিযানের মুখে চাপের মধ্যে আছে আইএস। তবে চাপের মধ্যে থাকলেও জঙ্গিগোষ্ঠীটি এখনো দেশ দুটির বিশাল এলাকা দখল করে রেখেছে। গোষ্ঠীটির দখলকৃত এলাকাগুলোর মধ্যে ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মসুলও আছে। এ বছর ইরাকে এটি সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী হামলা। ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনী ফালুজা শহর আইএসের কাছ থেকে পুনর্দখলের এক সপ্তাহ পর এ হামলা হলো।
/এমপি/








