জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে শেষবারের মতো ভাষণ দিলেন সংস্থাটির মহাসচিব বান কি মুন। মঙ্গলবার অধিবেশনের সাধারণ বিতর্ক পর্বে দেওয়া ভাষণে তিনি সিরিয়া ইস্যুকেই প্রাধান্য দিয়েছেন।
বান কি মুন বলেছেন, ‘সিরিয়ায় সব পক্ষই মানুষ মেরেছে, তবে সবচেয়ে বেশি মানুষ নিহত হয়েছে আসাদ সরকারের হাতে’।
প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ এখনও ক্রমাগত সিরিয়ায় বোমা ফেলে যাচ্ছেন এবং সেখানে কাঠামোগত নিপীড়ন জারি রেখেছেন বলেও মন্তব্য করেছেন মুন।
প্রথম দিন মঙ্গলবার সকালের অধিবেশনে বক্তব্য রাখবেন ১৭টি দেশের সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানরা। আর বিকেলের অধিবেশনে বক্তব্য রাখবেন ১৮টি দেশের সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানরা।
এর আগে হতাশা এবং বিভাজন কবলিত দুনিয়ায় একটি বাতিঘরের মতো করে ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের প্রেসিডেন্ট পিটার থম্পসন।
মঙ্গলবারের অধিবেশনে বিতর্কে অংশ নেবে তুরস্ক, শাদ, ফ্রান্স, গায়না, কাতার, আর্জেন্টিনা, স্লোভাকিয়া, মালাবি, উরুগুয়ে, জর্ডান, সুইজারল্যান্ড, পেরু, ফিজি, যুক্তরাজ্য, কানাডা, মরক্কো, পোল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, স্পেন, মিসর, নাইজেরিয়া, উগান্ডা, পর্তুগাল, মেক্সিকো, স্লোভানিয়া, জাম্বিয়া, পানামা, কোস্টারিকা, মঙ্গোলিয়া, সেনেগাল, তিউনিশিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ইতালি।
এর আগে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য রাষ্ট্রের ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে শরণার্থী ও অভিবাসী বিষয়ক নিউ ইয়র্ক ঘোষণা (দ্য নিউ ইয়র্ক ডিক্লারেশন অন রিফ্যুজিস অ্যান্ড মাইগ্র্যান্ট) অনুমোদিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বলছে, এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে ইউরোপসহ বিশ্বব্যপী প্রবাহিত শরণার্থী-স্রোতকে মানবিক পথে মোকাবেলার পথ তৈরী হবে। তবে ওই নিউ ইয়র্ক ঘোষণাকে অস্পষ্ট ও বিমূর্ত বলছেন কোনও কোনও সমাজবিশ্লেষক।
সূত্র: ইউএন-এর ওয়েবসাইট
/বিএ/








