মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রথমবারের মতো ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান প্রার্থীর মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনী বিতর্কে বর্ণবাদ ইস্যুটিই সবথেকে বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। পাশাপাশি এসেছে যুদ্ধ ও কর্মসংস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন ও রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই নির্বাচনি বিতর্ককে মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কের ইতিহাসে ‘সর্বকালের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিতর্ক’ বলেও উল্লেখ করা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউজে পৌঁছানোর এই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা মার্কিন জনগণের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে। আগামী ৮ নভেম্বর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ছয় সপ্তাহ আগে এই বিতর্ক বিপুল দর্শক টানে।
এর আগে আভাস দেওয়া হয়েছিল, ১৯৮০ সালে ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ও রিপাবলিক প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের বিতর্ক যে পরিমাণ টেলিভিশন দর্শক টেনেছিল, সেই রেকর্ডও ভেঙ্গে ফেলবে সোমবারের এই বিতর্ক।
৯০ মিনিটব্যাপী ওই বিতর্ক শুরু হয়েছে স্থানীয় সময় রাত ৯টায় (বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সকাল ৭টায়)। নিউ ইয়র্কের হফস্ট্রা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ওই বিতর্ক।
রাজনীতির মাঠে নবাগত ট্রাম্প প্রায়শই কৌশলকে কম গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। উল্টোদিকে রাজনীতিবিদ হিসেবে অভিজ্ঞ হিলারি ক্লিনটন এর আগে ২০০৮ সালের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থিতা প্রচারণায় বারাক ওবামার সঙ্গে বিতর্কে অংশ নিয়েছেন। এছাড়া এবারের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থিতা প্রত্যাশী বার্নি স্যান্ডার্সের সঙ্গেও বিতর্কে অবতীর্ণ হয়েছিলেন তিনি।
সূত্র: রয়টার্স।
/বিএ/








