ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের সেনাবাহিনী ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ঘাঁটির হামলাকারীদের ব্যাপারে পরস্পরবিরোধী তথ্য দিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। কেউ বলছে দুই হামলাকারী নিহত হয়েছে। আবার কেউ বলছে তাদের পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথা।
উল্লেখ্য, ‘নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে গিয়ে’ পাকিস্তানি জঙ্গিঘাঁটিতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নামের অভিযান পরিচালনার দাবি কিংবা ভারতজুড়ে নেওয়া নিরাপত্তা উপেক্ষা করে কাশ্মিরের সেনাঘাঁটিকে আবারও হামলার লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে জঙ্গিরা। বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, জম্মু ও কাশ্মিরের রাজধানী শ্রীনগরের ৫০ কিলোমিটার দূরে বারামুল্লা শহরে সেনাবাহিনী ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের দুটি ক্যাম্পে হামলা হয়। রবিবার রাতের ওই হামলায় বিএসএফের এক সদস্য নিহত ও অপর একজন আহত হয়েছেন। তবে হামলাকারীদের ‘পরিণতি’ স্পষ্ট করে জানা যায়নি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি তাদের নিজস্ব সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, নিরাপত্তাবাহিনী হামলাকারীদের ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেনি। রাতে হামলা হওয়ায় হামলাকারীরা গোলাগুলিতে নিহত হয়েছেন, নাকি পালিয়ে গেছেন, তা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
এদিকে দ্য হিন্দু তাদের নিজস্ব সূত্রের বরাত দিয়ে দুই হামলাকারী নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে। একই ধরনের খবর দিয়েছে কুইন্ট মিডিয়াও।
প্রায় দুই ঘণ্টা গোলাগুলির পর ভারতীয় সেনাসূত্রের বরাত দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার কথা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়াসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।
বারামুল্লা জেলারই উরি সেনাছাউনিতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলায় ১৯ ভারতীয় সেনা নিহত হন। দুই সপ্তাহের মধ্যে ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে আবারও এমন ঘটলো।
রবিবার বারামুল্লাতে ঝিলম নদীর তীরে পাশাপাশি অবস্থিত ‘৪৬ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস’এর (রাষ্ট্রীয় রাইফেলস ভারতের সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ ইউনিট) ক্যাম্প ও বিএসএফের ক্যাম্পে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। রবিবার ভারতীয় সময় রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিন থেকে চারজন অস্ত্রধারী দুই ভাগ হয়ে হামলায় অংশ নেয়। পুলিশ জানায়, সন্ত্রাসীরা প্রথমে ক্যাম্পে গ্রেনেড ছুড়ে মারে। পরে সেনা ও বিএসএফ সদস্যদের সঙ্গে তাদের গোলাগুলি হয়।
সূত্র: এনডিটিভি, দ্য হিন্দু।
/বিএ/আপ-এআরএল/
আরও পড়ুন:








