রুশ সীমান্তে মোতায়েন হবে স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী সর্বোচ্চ সেনা

বিদেশ ডেস্ক
২৬ অক্টোবর ২০১৬, ১৭:০৪আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০১৬, ১৭:০৮

ন্যাটো মহাসচিব জিন্স স্টলটেনবার্গ স্নায়ুযুদ্ধ অবসানের পর রুশ সীমান্তে সর্বোচ্চ সংখ্যক সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো। রাশিয়ার হাত থেকে সুরক্ষার কথা বলে এই বিপুল পরিমাণ সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে খবর দিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স। জুলাইয়ের ন্যাটো সম্মেলনে স্বাক্ষরিত এক চুক্তিতে আগামী বছরের গোড়ার দিক থেকে রুশ সীমান্তে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ছিল। সেই সিদ্ধান্তই এখন বাস্তবায়ন করতে চাইছে সংস্থাটি।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযাযী প্রাথমিকভাবে মোতায়েনকৃত সেনার সংখ্যা হবে চার হাজার। পরিস্থিতি বিবেচনায় পরে সেটা আরও বাড়ানো হতে পারে। এই সিদ্ধান্তের আওতায় রাশিয়ার সঙ্গে পোল্যান্ড, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া ও লিথুয়ানিয়া সীমান্তে বাড়তি ন্যাটো সেনা মেতায়েন করা হবে।

সিরিয়াসহ নানা ইস্যুতে রাশিয়ার সঙ্গে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর সাম্প্রতিক দূরত্বের ফলে সদস্য দেশগুলোকে এমন চাপ দিচ্ছে সংস্থাটি। অবশ্য থেমে নেই রাশিয়াও। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এরইমধ্যে তার দেশের যুদ্ধ প্রস্তুতি বৃদ্ধি করেছেন।

ন্যাটো সেনাদের চারটি টিমের নেতৃত্ব দেবে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রিটেন ও কানাডা। পোল্যান্ডের মিশনে নেতৃত্ব দেবে যুক্তরাষ্ট্র। এস্তোনিয়ায় নেতৃত্ব দেবে ব্রিটেন। এছাড়া বাড়তি সেনা সরবরাহ করবে ফ্রান্স, ডেনমার্ক ও ইতালিসহ অন্য দেশগুলো।

চলতি বছরের জুলাইয়ে ওয়ারস’তে ন্যাটো সম্মেলনে স্বাক্ষরিত এক চুক্তিতেও রাশিয়া সীমান্তে সেনা মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, মস্কো যদি সামগ্রিকভাবে যুদ্ধ শুরু করে তাহলে রাশিয়া সীমান্তের কাছাকাছি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ন্যাটো সেনা মোতায়েন করা হবে। আগামী বছরের গোড়ার দিক থেকে এটি বাস্তবায়নের কথা ছিল। সেই সিদ্ধান্তই এখন বাস্তবায়ন করতে চাইছে সংস্থাটি।

যুক্তরাষ্ট্রের আশঙ্কা, ২০১৪ সালে ক্রিমিয়ায় রাশিয়া যা করেছে; সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতেও একই কাজ করতে পারে মস্কো। আর তাই ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোকে আগেভাগেই সুরক্ষা নেওয়া প্রয়োজন।

ন্যাটো’র সেক্রেটারি জেনারেল জিন্স স্টোলেনবার্গ বলেছেন, এটা আমাদের বন্ধনের একটি পরিষ্কার বহিঃপ্রকাশ।

কূটনীতিকরা বলছেন এটা মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিও একটা বার্তা। কেননা ট্রাম্প বলেছিলেন, ইউরোপীয় মিত্ররা তাদের প্রতি জোটের প্রাপ্য পরিশোধ করছে না।

/এমপি/বিএ/

সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম