ইরানে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের চিন্তা-ভাবনা করছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের আচরণকে অস্থিতিশীল আখ্যা দিয়ে এ ধরনের আচরণ প্রতিহত করার জন্য দেশটির ওপর চাপ প্রয়োগের পরিকল্পনা করছেন তিনি। ট্রাম্পের এ পরিকল্পনার ব্যাপারে জানাশোনা রয়েছে এমন কয়েকটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স খবরটি জানিয়েছে।
শুক্রবারই এ ঘোষণা আসতে পারে বলে আভাস দিয়েছে তারা। আর তা সত্যি হলে, এটিই হবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বগ্রহণের পর ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের প্রথম বাস্তব পদক্ষেপ।
ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পনার ব্যাপারে জানাশোনা থাকা ওইসব সূত্রকে উদ্ধৃত করে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সন্ত্রাসবাদ ও গণবিধ্বংসী অস্ত্রের বিরুদ্ধে বিদ্যমান নির্বাহী আদেশের আওতায় ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে। নির্বাচনি প্রচারণার সময় ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্প যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তার চেয়ে আরও কঠোর নীতিমালা ব্যবহার করা হবে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে ২০টি নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে।
ওই সূত্রগুলো রয়টার্সকে আরও জানায়, রবিবার ইরান ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই নতুন এ নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্রাম্প।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দায়িত্ব গ্রহণের পর রবিবার প্রথমবারের মতো ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় ইরান। মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করেন,তেহরান থেকে ১৪০ কিলোমিটার পূর্বে সেমনান এলাকার কাছের একটি অঞ্চলে রবিবার এ পরীক্ষা চালানো হয়। খোররামশাহ নামের এ ক্ষেপণাস্ত্র মাঝারি পাল্লার। বিস্ফোরণের পূর্বে এ ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ৬০০ মাইল দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে।
ইরানের পারমাণবিক চুক্তির স্বাক্ষরের পর জাতিসংঘের একটি প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, ইরান এ ধরনের কোনও পরীক্ষা চালাবে না। জাতিসংঘের এ প্রস্তাব অনুসারে ২০১৫ সালে ২০ জুলাই থেকে পরবর্তী ৮ বছর ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করতে পারবে না ইরান।
অবশ্য, ইরানের ওই সিদ্ধান্তের জন্য এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে দেশটিকে পারমাণবিক চুক্তি ভঙ্গের দায় দেওয়া হয়নি।
/এফইউ/








