আবারও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে শান্তি প্রক্রিয়া ব্যাহত করার অভিযোগ জাতিসংঘের

বিদেশ ডেস্ক
০১ এপ্রিল ২০১৭, ১১:৪৬আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০১৭, ১৪:৩৭
image

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি অবৈধ বসতি অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নতুন অবৈধ বসতি অনুমোদনের নিন্দা জানিয়ে আবারও ইসরায়েলকে শান্তির পথে বাধা হিসেবে শনাক্ত করেছে জাতিসংঘ। বসতি স্থাপনের পদক্ষেপকে মধ্যপ্রাচ্যে ‘শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাধা’ হিসেবে শনাক্ত করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি নির্মাণ কাজ বন্ধের আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করে রামাল্লাহর নিকটবর্তী ইমেক শিলো নামক এলাকায় নতুন বসতি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় ইসরায়েল। বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) ইসরায়েলের নতুন বসতি স্থাপনের প্রস্তাবটি মন্ত্রিপরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।

ইসরায়েলি সিদ্ধান্তে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড কেড়ে নেওয়ার ঘটনাকে ‘হতাশাজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। তার মুখপাত্র স্তেফান দুজারিক বলেন, ‘মহাসচিব এই ইসরায়েলি সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছেন। দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একে হুমকি বলেও মনে করেন তিনি। মহাসচিব প্রতিনিয়ত বলে আসছেন, ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদভাবে বসবাসের জন্য এর কোনও বিকল্প নেই।’ শুক্রবার এক বিবৃতিতে দুজারিক এসব কথা বলেন। 

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি অবৈধ বসতি

এর আগে নেতানিয়াহু সাংবাদিকদের জানান, ‘আমরা নতুন একটি বসতি স্থাপনের অঙ্গীকার করেছি....আজ তা আমরা রক্ষা করব।’

ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ জানিয়েছেন পিএলও-র নির্বাহী কমিটির সদস্য হানান আশরাউয়ি। তিনি বলেন, ‘আজকের ঘোষণার মধ্য দিয়ে আরও একবার প্রমাণ হলো যে স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের চেয়ে অবৈধ বসতি স্থাপনকারী জনগোষ্ঠীকে শান্ত করতেই বেশি বদ্ধপরিকর ইসরায়েল।’

উল্লেখ্য, ১৯৯০ এর দশকের শুরু থেকে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে বেশ কয়েক দফায় শান্তি আলোচনা হয়েছে। ফিলিস্তিনিরা চায় পশ্চিম তীরে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে এবং পূর্ব জেরুজালেমকে এর রাজধানী বানাতে। ১৯৬৭ সালের আরব যুদ্ধের পর থেকে ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেম দখল করে রেখেছে। পূর্ব জেরুজালেমকে নিজেদের অবিভাজ্য রাজধানী বলে দাবি করে থাকে ইসরায়েল। অবশ্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পূর্ব জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। ১৯৬৭ সালের পর পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ১শরও বেশি বসতি স্থাপন করেছে ইসরায়েল। পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেমে স্থাপিত প্রায় ১৪০টি বসতিতে ৬ লাখেরও ইসরায়েলি বসবাস করে। আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় এ বসতি স্থাপনকে অবৈধ বলে বিবেচনা করা হলেও তা মানতে নারাজ ইসরায়েল। 

সূত্র: আলজাজিরা।

/এসএ/বিএ/ 

সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
বোফোর্ট দুর্গে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর হামলা
সর্বশেষ খবর
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম