উত্তর কোরিয়াকে দমনের ক্ষেত্রে চীনের পদক্ষেপের প্রশংসা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিম ম্যাটিস বলেন, চীনের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অনুপ্রেরণার। শনিবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এমনটা জানা যায়।
তবে দক্ষিণ চীন সাগরে কোনও দ্বীপে চীনের সামরিকায়নকেও যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করবে না বলে জানান ম্যাটিস। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনে বার্ষিক শাংরি লা সংলাপে তার এই বক্তব্যে বোঝা যায় চীনের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসন কতটা ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবে।
যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা শঙ্কিত ছিলেন যে উত্তর কোরিয়াকে দমনে বারবার চীনকে আহ্বান জানানোয় চীনে সামরিকায়ন মেনে নেবে ট্রাম্প প্রশাসন। কয়েকটি দেশ এমনও জানায়, টিপিপি চুক্তি বাতিল করে ও জলবায়ু চুক্তি থেকে সরে এসে বৈশ্বিক নেতৃত্বে প্রভাব হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
ম্যাটিস অবশ্য বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই তাদের সহযোগী দেশগুলোর পাশে আছে। তিনি বলেন, ‘আমরা পছন্দ করি আর নাই করি, সবাই একই বিশ্বের অংশ। চাই সীমানা পেরিয়ে আমাদের সহযোগীতা অব্যাহত রাখতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সবগুলো বিকল্প হারিয়ে ফেললেও মার্কিনিরা সবসময়ই সঠিক কাজ করবে। চীনের প্রশংসা করা মানে এই নয় যে তাদের সামরিকায়ন আমরা মেনে নেব।’
উত্তর কোরিয়া সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে এবং সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ওয়াশিংটন শত্রুতাপূর্ণ আচরণ বন্ধ না করা পর্যন্ত এ ধরনের পরীক্ষা চলতেই থাকবে। মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ভিনসন স্ট্রাইক গ্রুপকে কোরিয়া উপদ্বীপে পাঠানোর ঘোষণার পর শুরু হওয়া যুদ্ধাবস্থার মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে দক্ষিণ কোরিয়ায় মার্কিন সাবমেরিনের উপস্থিতি।
কয়েক সপ্তাহ আগে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে এক যৌথ সামরিক মহড়া চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে মার্কিন যুদ্ধবিমান উত্তর কোরিয়ার আকাশসীমার খুব কাছ দিয়ে উড়ে গেছে বলে জানা গেছে।
সূত্র: রয়টার্স
/এমএইচ/








