সৌদি আরবসহ কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নকারী ছয় দেশকে নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে কাতার। এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে আধিপত্য বিস্তারের বাসনাকে কারণ বলে দাবি করেছে তারা। একে অবিচার ও সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত হিসেবে দেখছে দেশটি।
সোমবার জঙ্গিবাদে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশ। ইয়েমেনে কথিত সন্ত্রাসবাদবিরোধী যুদ্ধের আরব জোট থেকেও বাদ দেওয়া হয় কাতারকে। এতে করে আরব বিশ্বে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য পরিষ্কার। তারা আমাদের উপর রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার এবং খবরদারি করতে চায়। এটা কাতারের সার্বভৌমত্বের উপর আঘাত।’
সৌদি আরব ও বাহরাইনের ধারাবাহিকতায় মিসর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, লিবিয়া এবং ইয়েমেন কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দেয়।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ দাবি করে, ‘কাতার মুসলিম ব্রাদারহুড, আইএস, আল-কায়েদাসহ কয়েকটি সন্ত্রাসী সংগঠনকে সমর্থন দিয়ে এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নষ্ট করে। তাদের নিজেদের সংবাদমাধ্যমে সন্ত্রাসীদের বার্তা পৌঁছে দেয়।’ এছাড়াও কাতারের বিরুদ্ধে শিয়া মুসলিম অধ্যুষিত বাহরাইনের পূর্বাঞ্চলে ইরান সমর্থিত বাহিনীকে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ করে তারা।
কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নকারী অন্য দেশগুলোও কাতারের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে সমর্থন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্টের অভিযোগ তোলে।
/এমএইচ/বিএ/








