নওয়াজের দিন শেষ হয়ে যায়নি: কন্যা মরিয়ম

বিদেশ ডেস্ক
২৯ জুলাই ২০১৭, ১১:১২আপডেট : ২৯ জুলাই ২০১৭, ১৪:৩৯
image

সম্পদের তথ্য গোপন করায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রিত্বের অযোগ্য ঘোষিত নওয়াজ শরিফের কন্যা মরিয়ম নওয়াজ বলেছেন, তার বাবার দিন শেষ হয়ে যায়নি। মসনদে না থাকা সত্ত্বেও আবারও তার বাবা পাকিস্তানের শাসন ক্ষমতায় ফিরবেন বলে মনে করছেন মরিয়ম।
নওয়াজের কন্যা মরিয়ম

দেশটির সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবার এক আদেশে বলেছে, পাকিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সততা আবশ্যক। অসৎ প্রক্রিয়ায় সম্পদের তথ্য গোপন করার কারণে তিনি এখন পার্লামেন্ট সদস্য থাকার ‘যোগ্য’ নন। সুপ্রিম কোর্টের আদেশের কিছুক্ষণ পরেই পদত্যাগের ঘোষণা দেন নওয়াজ।

সম্পদের তথ্য গোপন করায় সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, তিনি ‘সৎ থাকার’ সাংবিধানিক পূর্বশর্ত লঙ্ঘন করেছেন। তবে মরিয়ম নওয়াজ শরিফ বলছেন, “পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দিন শেষ হয়ে যায়নি। চেয়ারের দরকার নেই, আবার ফিরে আসবেন তিনি।” সুপ্রিম কোর্টের রায়ে নওয়াজ শরিফ প্রধানমন্ত্রী পদের অযোগ্য ঘোষণার পর তিনি এ ধরনের মন্তব্য করেন।

সামাজিক মাধ্যম টুইটারে হাস্যজ্জ্বল কয়েকজন নেতার পাশে বেশ ফুরফুরে মেজাজে নিজের বাড়িতে বসে থাকা নওয়াজের একটি ছবি পোস্ট করেন মরিয়ম। টুইটে মরিয়ম লেখেন, কোনো শাস্তি দেয়ার সময় প্রকৃত ভদ্র লোকেরা এভাবেই হাসেন। প্রতিক্রিয়ায় তিনি আরও বলেন, একজন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমতাচ্যুত করা হলো।

 

নওয়াজের পদত্যাগের পর বিরোধীরা মেতে ওঠে বিজয়োল্লাসে। এর প্রতিক্রিয়ায় মরিয়ম বলেন, “শিগগিরই বেশি শক্তি ও সমর্থন নিয়ে তিনি ফিরে আসবেন ইনশাল্লাহ। আপনারা পিএমএলএন-এর সঙ্গেই থাকুন।”

১৯৮৫ সালে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন নওয়াজ শরিফ। ১৯৯০ সালের ১ নভেম্বর প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাকিস্তানের মসনদে বসেন তিনি। তিন বছরের মাথায় ১৯৯৩ সালে দুর্নীতির অভিযোগ মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করতে হয় তাকে। ১৯৯৭ সালে দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন নওয়াজ শরিফ। সেবার ১৯৯৯ সালে দেশটিতে সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারান তিনি।

মরিয়ম বলেন, “২০১৮ সালে বিজয়ী হয়ে নওয়াজের ফিরে আসার পথ হয়তো আজকের এ ঘটনা আরও সুগম করে দিল। তাকে থামানো অসম্ভব, ইনশাল্লাহ। কেউ থামাতে পারলে থামান!” 

সূত্র: ডন, জিওনিউজ।

/বিএ/

সম্পর্কিত
মহাকাশ কম্পিউটিংয়ের প্রথম উদ্ভাবন কেন্দ্রের অনুমোদন চীনের
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
সর্বশেষ খবর
হবিগঞ্জে নারীর মুখে এসিড নিক্ষেপ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ
হবিগঞ্জে নারীর মুখে এসিড নিক্ষেপ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ
বগুড়ায় দই বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী 
বগুড়ায় দই বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী 
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
আপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশাআপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি