৬ ডিসেম্বর জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতি দিতে পারেন ট্রাম্প

বাংলা ট্রিবিউন ডেস্ক
০২ ডিসেম্বর ২০১৭, ০১:৩৪আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৮:৪০

৬ ডিসেম্বর জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতি দিতে পারেন ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ৬ ডিসেম্বর এক বক্তৃতায় জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট’র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে জানানো হয়, ট্রাম্পই এ ধরনের প্রতিশ্রুতি প্রথম দিলেন না। তার আগে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন প্রেসিডেন্ট এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায়, জেরুজালেমকে ইসরায়েলের ভূখণ্ড দাবিকে সমর্থন জানান ট্রাম্প। অনেকে মনে করেন, ট্রাম্পের এই স্বীকৃতির মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি আলোচনার প্রক্রিয়া ব্যহত হতে পারে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সালে পূর্ব জেরুজালেমের সঙ্গে ইসরায়েলের ঐক্য এবং পরবর্তী সময়ে এ অঞ্চলের দখলদারিত্ব নেওয়ার প্রক্রিয়া অবৈধ ঘোষণা করে  জাতিসংঘ।

অন্যদিকে, ফিলিস্তিনিরাও জেরুজালেমকে নিজ ভূখন্ডের অংশ বলে দাবি করে। যার মধ্যে মুসলমানদের একাধিক পবিত্র স্থান রয়েছে। তাদের এ ধরনের দাবি এবং ইসরায়েল, আমেরিকা ও তাদের মিত্রদের বিরোধিতা করায় মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন অধিকার কর্মী, সরকারি কর্মকর্তা এবং চরমপন্থীরা।

ইসরায়েলের পতনের পূর্বাভাস দিয়ে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের মুখপাত্র নাবিল আবু রুদিনা জানিয়েছিলেন, পূর্ব জেরুজালেম স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে বিবেচিত হবে।

এক বিবৃতিতে সরাসরি ট্রাম্প বা আমেরিকাকে উল্লেখ না করে তিনি জানান, পূর্ব জেরুজালেম ও পবিত্র স্থানগুলোই এই অঞ্চলকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করবে।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রশাসনের এক কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন,  ট্রাম্প তেল অভিভ থেকে মার্কিন দূতাবাস জেরুসালেমে স্থানানন্তর করবেন বলে মনে হয় না। কয়েক দশক ধরে, মার্কিন রাষ্ট্রপতিরা এই পরিবর্তন বিলম্বিত করতে ১৯৯৫ সালে জারি করা এক বিলের শর্ত অনুযায়ী চুক্তি সই দীর্ঘায়িত করছেন।

ওয়াশিংটন পোস্টের একটি সাক্ষাত্কারে ফিলিস্তিন আইন পরিষদের সদস্য কায়েস আবদুল করিম বলেন, জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে নিলে শান্তি চুক্তির প্রচেষ্টা ব্যহত হবে।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দালাল হিসেবে নিজের অবস্থান হারিয়ে নিজেকে ইসরাইলের মিত্র বলে ঘোষণা করে। ফলে এটিই মার্কিন প্রশাসনের শেষ প্রচেষ্টা, যা হবে সম্পূর্ণ বিপর্যযয়ের।

আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের সেই ছাত্রাবাসটি জঙ্গিমুক্ত, হামলাকারীসহ নিহত ১৩

/এসএনএইচ/
সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
বোফোর্ট দুর্গে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর হামলা
সর্বশেষ খবর
জয়পুরহাটে বজ্রাঘাতে প্রাণ হারালেন ২ জন
জয়পুরহাটে বজ্রাঘাতে প্রাণ হারালেন ২ জন
শিশু রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক আজ, জানা যাবে রায়ের তারিখ
শিশু রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক আজ, জানা যাবে রায়ের তারিখ
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম