সময়ের হিসাবে পাক্কা ১৮ মাস। ২০২২ সালের অক্টোবরে পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তারপর শুক্রবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন হলো তার। লম্বা সময় ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে থেকে মাঠে ফেরাটা বেশ অস্বস্তিকর হওয়ার কথা, সাইফউদ্দিনেরও তেমনটাই হয়েছে।
চোটে পড়ে কিছুটা আড়ালে চলে গিয়েছিলেন সাইফউদ্দিন। গত বিপিএল দারুণ পারফরম্যান্স করে চমকে দেন সবাইকে। এই ধারা অব্যহত থাকে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেটেও। এরই ধারাবাহিকতায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে সুযোগ পেয়ে যান এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার। জাতীয় দলের হয়ে নিজের প্রত্যাবর্তন ম্যাচ দারুণ বোলিং করে রাঙান তিনি। তবে মাঠে নামার আগে ভীষণ স্নায়ুচাপে ছিলেন সাইফউদ্দিন।
ম্যাচ শেষে ডানহাতি পেস অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘সত্যি বলতে আজকে আমি অনেক নার্ভাস ছিলাম। যদিও এর আগে আন্তর্জাতিক অনেক ম্যাচ খেলেছি, তখন নার্ভাস ছিলাম না। আমার জন্য ভালো করাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। হয়ত এক দুই ম্যাচ পরে ফিজ (মোস্তাফিজ) আসবে। সেক্ষেত্রে সেরা একাদশে কী হবে না হবে, ম্যানেজমেন্ট ভালো জানে। চ্যালেঞ্জিং ছিল। চেষ্টা করেছি ভালোটা দেওয়ার। আরও চারটা ম্যাচ আছে, চেষ্টা থাকবে এই পারফরম্যান্সকে ছাড়িয়ে যাওয়ার।’
শুক্রবার ৪ ওভার বল করে ১৫ রানে ৩ উইকেট নেন সাইফউদ্দিন। টি-টোয়েন্টিতে এর চেয়েও ভালো বোলিং আছে তার। তবে এবারের ফেরাটা তার কাছে অন্যরকম। কেন সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি, ‘যেহেতু অলমোস্ট ১৮ মাস পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরলাম। আমার জন্য কঠিন ছিল। যদি আমি বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেতে চাই তাহলে আমার জন্য এই পারফরম্যান্সের বিকল্প নেই। এর আগেও ২০২১-২০২২ সালে বিশ্বকাপে আমি শেষ মুহূর্তে বাদ পড়ি পারফরম্যান্সের ঘাটতির কারণে। সেজন্য অনেক বেশি সিরিয়াস ছিলাম, চাচ্ছিলাম পারফর্ম করতে।’
দারুণ বোলিং করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম পরীক্ষায় ভালো মার্কস পেয়েছেন সাইফউদ্দিন। পরের কয়েক ম্যাচে তাকে আরও কঠিন পরীক্ষায় বসতে হবে। এখন দেখার অপেক্ষা কেমন করেন বাংলাদেশের এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার।









