জেরুজালেম পরিস্থিতি নিয়ে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে কথা বলেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান। শনিবার ফোনে দুই নেতার মধ্যে কথা হয়। তুর্কি প্রেসিডেন্ট দফতরের সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলি রাজধানীর স্বীকৃতি দিচ্ছেন; এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দুই নেতার মধ্যে এ কথোপকথন অনুষ্ঠিত হয়। তবে তাদের আলাপের বিস্তারিত জানা যায়নি।
আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, দুই নেতা সামগ্রিকভাবে ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। এ সময় পূর্ব জেরুজালেমকে স্বাধীন-সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী করার বিষয়ে জোর দেন এরদোয়ান। ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি তুর্কি সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট। জবাবে এরদোয়ানকে ধন্যবাদ জানান মাহমুদ আব্বাস।
এরদোয়ান বলেন, গাজা উপত্যকার ওপর থেকে বিধিনিষেধ প্রত্যাহার শান্তি প্রতিষ্ঠার পথকে সুগম করবে।
এদিকে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হলে তা হবে জেরুজালেমের ওপর মার্কিন আগ্রাসনের শামিল। এটা সেখানে ইহুদিবাদী দখলদারিত্বকে স্বীকৃতি দেওয়ার নামান্তর।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জেরুজালেম একটি অধিকৃত শহর হওয়ার কারণে সেখানে দূতাবাস স্থানান্তর হবে আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তেল আবিব এই শহর থেকে ফিলিস্তিনিদের বিতাড়িত করে এটিকে ইহুদিকরণের যে পরিকল্পনা করছে, দূতাবাস স্থানান্তরিত হলে তারা খুব সহজেই তা বাস্তবায়ন করতে পারবে।’
আমেরিকা যাতে এই ‘নৃশংস সিদ্ধান্ত’ বাস্তবায়ন করতে না পারে সেজন্য ফিলিস্তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখ দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে হামাস। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আল-কুদস হচ্ছে আরব ও ইসলামি পরিচিতির শহর। এটি ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড। এই পরিচয় মুছে ফেলার যে কোনও পরিকল্পনা রুখে দিতে আরব জাহান ও মুসলিম উম্মাহ’র প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হামাস।








