তেল আবিব থেকে দূতাবাস স্থানান্তরের আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলি রাজধানীর স্বীকৃতি দেবেন; দাবি করছে তার প্রশাসন। ট্রাম্প প্রশাসনের এক সিনিয়র কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, আজ বুধবারই এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার এই বিষয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। জেরুজালেমকে রাজধানী দাবি করে আসছে ইসরায়েল। তবে পূর্ব জেরুজালেমকে ভবিষ্যত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে দেখতে চায় দেশটির জনগণ।
মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র সারাহ স্যান্ডার্স জানিয়েছিলেন, বুধবার জেরুজালেম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট করবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
ইহুদি-খ্রিস্টান ও মুসলিম; তিন সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য পবিত্র ধর্মীয় স্থান জেরুজালেম। তেল আবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণে ৪ ডিসেম্বর সময়সীমা পার হয়ে গেছে। সোমবার দূতাবাস সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা না দেওয়ায় দেশটির আইন অনুযায়ী আরও ছয় মাসের মধ্যে দূতাবাস সরছে না। দূতাবাস সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত করলেও আশঙ্কা রয়েছে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী ঘোষণা করতে পারেন ট্রাম্প।
চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে ফোন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও জর্ডানের বাদশা আব্দুল্লাহ’র সঙ্গেও কথা বলেছেন অথবা বলবেন ট্রাম্প।
এদিকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও কথা হয়েছে আব্বাসের। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যকার শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরুর ব্যাপারে মস্কোর সমর্থন রয়েছে বলে জানান আব্বাস।
এছাড়া তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো, জর্ডানের রাজা আবদুল্লাহ, মরক্কোর রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদসহ বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গেও তিনি এ ইস্যুতে কথা বলেছেন। এসব আলোচনায় তিনি জেরুজালেম ইস্যুতে পাশে থাকার এবং কূটনৈতিকভাবে ফিলিস্তিনকে সমর্থন দেওয়ার জন্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।








