পশ্চিম তীর, গাজা ও জেরুজালেমে অব্যাহত রয়েছে ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভ। জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে মার্কিন স্বীকৃতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমেছে তারা। মঙ্গলবারের বিক্ষোভও ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দমন অভিযানের শিকার হয়েছে। এদিন বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে তারা। এতে নতুন করে আরও ৪৫ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছে। ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্টের বরাত দিয়ে মধ্যপ্রাচের সংবাদ পর্যবেক্ষণে নিয়োজিত ব্রিটিশ ওয়েবসাইট মিডল ইস্ট মনিটর এসব কথা জানিয়েছে।
৬ ডিসেম্বর বুধবার জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরায়েলের মার্কিন দূতাবাস তেল আবিব থেকে সরিয়ে জেরুজালেমে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতির কথাও জানান তিনি। ট্রাম্পের ঘোষণার পর পরই বিক্ষোভে নামেন ফিলিস্তিনিরা। ইসরায়েলি বাধা উপেক্ষা করে শুরু হওয়া বিক্ষোভে এরইমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ছয় জন ফিলিস্তিনি। আহতের সংখ্যা ১৭০০ ছাড়িয়েছে। ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্টের এক বিবৃতিতে বলা হয়, মঙ্গলবার পশ্চিম তীরে বিক্ষোভরতদের ওপর রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেসময় ৩৬ জন বিক্ষোভকারী আহত হন। আর গাজা সীমান্তে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে আরও ৯ জন আহত হয়।
তুলকারম, আল খাদের এবং জেরুজালেমেও ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। ওল্ড সিটির সালাহউদ্দিন স্ট্রিটে ফিলিস্তিনিদের ধাওয়া করা এবং আটকের চেষ্টা করে ইসরায়েলি সেনারা। সাউন্ড বোমাও বিস্ফোরিত করে তারা।এদিকে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী মিডল ইস্ট মনিটর জানায়, মঙ্গলবার পশ্চিম তীরের সালফিত শহরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গুলিতে এক ফিলিস্তিনি শিশু আহত হয়েছে।








