পূর্ব জেরুজালেমকে অবশ্যই ফিলিস্তিনের রাজধানীর স্বীকৃতি দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছে তুরস্ক। বুধবার দেশটির রাজধানী আঙ্কারায় ওআইসির জরুরি বৈঠক শুরুর সময় একথা জানান দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার ওআইসির ডাকা জরুরি বৈঠকে অংশ নিচ্ছে ৫০টিরও বেশি দেশ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় এই বৈঠক ডাকেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান।
বুধবার ৬ ডিসেম্বর জেরুজালেমকে ইসরায়েলি রাজধানীর স্বীকৃতি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, তেল আবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নেওয়া হবে। এর পর আন্তর্জাতিক মহল থেকে নিন্দার ঝড় উঠেছে। সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে ফিলিস্তিনসহ অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোতে। আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তুরস্ক জানায়, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে বিশ্ব এমন এক আগুনে জ্বলতে শুরু করবে যার শেষ নেই। এরপর অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক করপোরেশন-ওআইসির জরুরি বৈঠক ডাকে তার। ১৯৬৭ সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী পূর্ব জেরুজালেমকে এর রাজধানী স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য অন্যান্য দেশগুলোকে উৎসাহিত করতে হবে আমাদের। সেই বৈঠক শুরুর আগে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে হবে।
জেরুজালেম, মুসলিম, খ্রিষ্টান ও ইহুদি তিন ধর্মের জন্যই পবিত্র স্থান। অনেকদিন ধরেই এই জেরুজালেমকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। কাভুসোগলু বলেন, তুরস্ক কোনও নিষেধাজ্ঞার কথা বলবে না। বরং সব দেশগুলোকে অনুরোধ জানাবে যেন ফিলিস্তিনিকে স্বীকৃতি দেয় তারা। এছাড়া এক কড়া বিবৃতির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করবে তারা। তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই সম্মেলনে পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী ঘোষণা করা হবে এবং ইসরায়েলকে অবৈধ বসতি সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হবে। ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসও সম্মেলনে কথা বলবেন। এতে উপস্থিত থাকবেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি ও সুদানের ওমর আল বশির।








