জেরুজালেম ইস্যুতে ফোনে কথা বলেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে ও তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান। সোমবার রাতে তাদের কথায় জেরুজালেমের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ছাড়াও দ্বিপাক্ষিক বিষয়ও উঠে এসেছে তাদের আলোচনায়। তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রে ভেটো নিয়ে কথা বলেছেন দুই নেতা। তারা জানান, জেরুজালেম নিয়ে মার্কিন সিদ্ধান্তের পরই পরিস্থিতি বেশি খারাপ হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সূত্র জানান, নতুন এই উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা মে ও এরদোয়ানের। তারা জানান, শান্তি প্র্রক্রিয়ায় দ্বি-রাষ্ট্র নীতিই সবচেয়ে ভালো ভূমিকা রাখতে পারে। এজন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে বলে মনে করেন তারা।
সোমবার জেরুজালেম প্রসঙ্গে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত এক খসড়া প্রস্তাবে ভেটো দেয় যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতি দেওয়ার ও ওই শহরে মার্কিন দূতাবাস স্থাপনের পরিকল্পনার বিরোধিতা করে এই খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করলেও নিরাপত্তা পরিষদের বাকি ১৪ দেশ এই প্রস্তাবকে সমর্থন করে ভোট দিয়েছিল।
মে ও এরদোয়ান মনে করেন, এতে করে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তিপ্রক্রিয়া হুমকির মুখে পড়তে পারে।
প্রতিরক্ষা খাত থেকে শুরু করে অন্যান্য খাতে পারষ্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তারা।
এদিকে জেরুজালেমকে ইসরায়েলি রাজধানীর স্বীকৃতির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের খসড়া প্রস্তাবে ভেটো দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনা করেছে তুরস্ক। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘প্রস্তাবটিতে নিরাপত্তা পরিষদের ১৪ সদস্যেরই অনুমোদন জেরুজালেম ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের অবৈধতা নির্দেশ করে।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এই ভেটো জাতিসংঘকে ব্যর্থতায় পর্যবসিত করেছে। তবে তুরস্কফিলিস্তিন রাষ্ট্র ও এর জনগণের পক্ষে অবস্থান অব্যাহত রাখবে।’








