সুদানের সঙ্গে সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার পরিসর আরও বাড়াবে তুরস্ক। রাষ্ট্রীয় সফরে রবিবার সুদান পৌঁছানোর পর দেশটির সঙ্গে এ সংক্রান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান। এছাড়া কৌশলগত সহযোগিতা বিষয়ক একটি কাউন্সিল গঠনেও দুই দেশের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।
এর আগে খার্তুম বিমানবন্দরে পৌঁছালে সেখানে এরদোয়ানকে অভ্যর্থনা জানান সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল বশির। দুই শীর্ষ নেতার বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
তুরস্কের সঙ্গে সুদানের বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার। এই অর্থের পরিমাণ আরও বাড়াতে চায় আঙ্কারা।
এক সংবাদ সম্মেলনে এরদোয়ান বলেন, দুই মুসলিম দেশ প্রাথমিকভাবে বার্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ এক বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। পরে এটি ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হবে।
২০১১ সালে দক্ষিণ সুদান আলাদা হয়ে যাওয়ার পর থেকে সুদানের অর্থনীতি বেশ চাপের মুখে রয়েছে। ওই বিচ্ছেদের ঘটনায় তেলের খনিগুলোর একটা বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ হারায় সুদান। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে বিনিয়োগে নজর দিয়েছে তুরস্ক। দুই দেশের সম্পর্কেও ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী ঘোষণার প্রতিবাদে তুরস্কে ওআইসি’র জরুরি সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল বশির। এরদোয়ানের এ সফরকে স্বাগত জানিয়ে তিনি একে ঐতিহাসিক হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
সুদান থেকে শাদ ও তিউনিসিয়া সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে তুর্কি প্রেসিডেন্টের। সূত্র: মিডল ইস্ট আই।








