পাকিস্তানে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতকে দেশে ফেরার নির্দেশ

বিদেশ ডেস্ক
৩১ ডিসেম্বর ২০১৭, ২১:৪৪আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭, ২২:২০

পাকিস্তানে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ওয়ালিদ আবু আলীকে যত সম্ভব দ্রুত দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার রাওয়ালপিন্ডিতে মুম্বাই হামলায় অভিযুক্ত হাফিজ সাইদের সঙ্গে একমঞ্চে দেখা যায় ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ওয়ালিদ আবু আলীকে। জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতির প্রতিবাদে ওই সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু হাফিজ সাঈদের সঙ্গে এক মঞ্চে তার উপস্থিতির ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানায় ভারত। ফিলিস্তিনের কাছে জোরালো প্রতিবাদ পাঠায় দিল্লি। এরপরই তাকে দেশে ডেকে পাঠায় ফিলিস্তিনের কর্তৃপক্ষ।

হাফিজ সাঈদ ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জেরুজালেমের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে রাওয়ালপিন্ডির ওই সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে সেখানে সন্ত্রাসবাদকে সমর্থনের দায়ে জাতিসংঘ কর্তৃক চিহ্নিত ব্যক্তির সঙ্গে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূতের অংশগ্রহণ ছিল অনিচ্ছাকৃত।

ভারতে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত আদনান আবু আলহাইজা জানিয়েছেন, ওয়ালিদকে যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ঐতিহাসিকভাবে ভারতের সঙ্গে ফিলিস্তিনের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। ফলে ভারত কর্তৃক ঘোষিত সন্ত্রাসবাদীর সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের এক মঞ্চে থাকা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

এদিকে পাকিস্তানে কর্মরত একজন কূটনীতিকের ব্যাপারে ভারতের আপত্তি প্রত্যাখ্যান করেছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে একাত্মতা জানাতে যে সমাবেশের আয়োজন করা হয়, সেখানে দেশটির রাষ্ট্রদূতের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্তের প্রতি পাকিস্তান শ্রদ্ধাশীল। ওই সমাবেশে হাজার হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন। সেখানে অর্ধশতাধিক বক্তার একজন ছিলেন হাফিজ সাঈদ। তার বাক স্বাধীনতার ওপর জাতিসংঘ কোনও বিধিনিষেধ আরোপ করেনি।

উল্লেখ্য, জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে মার্কিন স্বীকৃতির সিদ্ধান্ত জাতিসংঘের ভোটাভুটিতে বিপুল ভোটে প্রত্যাখ্যাত হয়। গত ২২ ডিসেম্বরের ওই ভোটাভুটিতে ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশই ট্রাম্প প্রশাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ফিলিস্তিনের পক্ষে ভোট দেয়। সূত্র: আল জাজিরা, জি নিউজ।

/এমপি/
সম্পর্কিত
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
সর্বশেষ খবর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম