কানাডার বিরুদ্ধে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে মদদ দেওয়ার অভিযোগ এনেছে ইরান। রবিবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাহরাম কাসেমি বলেছেন, তেহরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে কানাডা। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ আনার খবর নিশ্চিত করেছে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু। দেশ দুটি আলাদা বিবৃতিতে ইরানের বিক্ষোভ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের পর এই অভিযোগ আনা হয়েছে।
কাসেমি বলেন, আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ভেঙে ইরানে চলমান বিক্ষোভে ‘অনধিকারচর্চা’ করছে কানাডার সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিবৃতিকে ইরান বলছে ‘শাসক বিরোধীদের মদদ’।
এর আগে কানাডা সরকারের তরফে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইরানি জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষার শান্তিপূর্ণ লড়াইয়ে উজ্জীবিত বোধ করছে কানাডা।’ এছাড়া এক টুইটার পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানে বড় বিক্ষোভ। মানুষ আসলেই বুঝতে শিখেছে কীভাবে তাদের অর্থ আর সম্পদ চুরি হয়ে সন্ত্রাসে বিনিয়োগ হচ্ছে। মনে হচ্ছে তারা আর এটা মানবে না।’
মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকের পর ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি ইরানিদের সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ‘শত্রুরা সুযোগ নিতে পারে-দেশকে এমন পরিস্থিতিতে ফেলা আমাদের এড়ানো উচিত।’
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে গত বৃহস্পতিবার থেকে ইরানের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়। পাল্টা শোভাযাত্রাও করে সরকার সমর্থকরা। সোমবার বিভিন্ন বার্তা সংস্থার খবরে সরকার বিরোধী বিক্ষোভে এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১৬জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।








